
চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী জারুলিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় এডভোকেট আবুল খায়ের মেধাবৃত্তি ও সম্মাননা সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ দুপুরে মাদ্রাসার মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অভিভাবক প্রতিনিধি ও সভাপতি আব্দুল আওয়াল কাজলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শোয়াইব আহমদ খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী।
গাজীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মীর শওকত আলী সেলিম,বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুর রাজ্জাক, সিরাজ জমাদার, যুবদলের গাজীপুর ইউনিয়ন শাখার নেতা সাইফুল ইসলাম মুন্সি, তাহির জমাদারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ,শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত সচিব শোয়াইব আহমেদ খান বলেন, আমার শ্বশুর এডভোকেট আবুল খায়ের ছিলেন হবিগঞ্জের মধ্যে সুপরিচিত একজন ব্যক্তি এবং তিনি জীবন দশায় সমাজব্যবস্থা উন্নয়নে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করে গেছেন। তিনি একজন উচ্চ পদস্থ শিক্ষা অনুরাগী মানুষ ছিলেন, আমরা তার আত্মার শান্তি কামনা করি। তিনি আরো বলেন বর্তমান সরকার শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। মাদ্রাসা শিক্ষার মাধ্যমে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এগিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম, নৈতিকতা ও ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে মাদ্রাসাগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তিনি আরও বলেন,আমার শ্বশুর মরহুম এডভোকেট আবুল খায়ের সাহেবের নামে এই মেধাবৃত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।আপনারা প্রতিষ্ঠানটি সুন্দরভাবে পরিচালনা করুন। দেখবেন, শিক্ষার বিস্তারে পুরো এলাকা এগিয়ে যাবে।”
অনুষ্ঠানে মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে নগদ ৫ হাজার টাকা ও সম্মাননা সনদ প্রদান করা হয়।এবং অসহায় শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ব্যাগ বিতরণ করা হয়। এ সময় প্রধান অতিথি মাদ্রাসার অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়ে আশ্বাস দিয়ে বলেন, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে অচিরেই মাদ্রাসার ভবন নির্মাণের বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যরা বলেন, হবিগঞ্জের পতিতযশা আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের ছিলেন একজন শিক্ষা অনুরাগী,তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে গেছেন। এবং বিভিন্নভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কল্যাণে কাজ করে গেছেন রয়েছে। মাদ্রাসা, স্কুল,মসজিদ সহ অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তারা আরো বলেন মেধাবৃত্তি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনে অনুপ্রাণিত করবে। মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি প্রদান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানটি শিক্ষার্থী,শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় সুধীজনের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
দ.ক.২৬