1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
শেষে এসেও আলোচনার শীর্ষে এমপি ভ্রাতা সাইফুল; তফসিল ঘোষণা না হলেও জোরেশোরে বইছে আহম্মদাবাদে নির্বাচনী হাওয়া চুনারুঘাটে উলামা পরিষদের উদ্যোগে সিরাত মাহফিল ও হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা আগামীকাল  আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে নতুন চমক সংসদ সদস্য শাম্মী’র ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম গাজীপুর স্কুলের গভর্নিং বডির অভিভাবক প্রতিনিধি নোমান আহমেদ নির্বাচিত চুনারুঘাটে এক অসহায় বৃদ্ধা নারীর জমি দখলের পায়তারা করছে একটি ভূমিকেখো চক্র চুনারুঘাটে ইসলামী ছাত্রসেনার প্রতিনিধি সম্মেলন ও কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত চেয়ারম্যান না থাকায় স্থবির আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ, ভোগান্তিতে সেবাপ্রত্যাশীরা দেশে আত্মহত্যার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি স্কুল শিক্ষার্থীদের শিশুকে যেভাবে বইয়ে আগ্রহী করে তুলবেন চুনারুঘাটে মা’কে মারধোর; প্রীতম দাসের ৬ মাসের কারাদণ্ড

সাতছড়ি উদ্যানে উচ্ছেদ অভিযান: আতঙ্কে খাবার ফেলে বেরিয়ে গেলেন পর্যটকরা

Reporter Name
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

চুনারুঘাট প্রতিনিধি : হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান এলাকায় বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযানের সময় হোটেলে অবস্থানরত পর্যটকদের আতঙ্কিত হয়ে খাবার ফেলে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়। একই সঙ্গে অভিযানে বৈষম্যের অভিযোগও তুলেছেন কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল প্রায় ৩টার দিকে সাতছড়ি উদ্যানের সামনে অবস্থিত মোস্তাক হোটেল,আবুল হোটেলে ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পর্যটকরা দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় বন্যপ্রাণী ও বন সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তারা একটি এক্সকাভেটর দিয়ে হোটেলের টিনের চাল ভাঙার কাজ শুরু করেন। অভিযানে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি শফিকুল ইসলাম আবুল উপস্থিত ছিলেন।

হঠাৎ এক্সকাভেটর দিয়ে টিনের চাল ভাঙা শুরু হলে হোটেলে অবস্থানরত পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই খাবার ফেলে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে যান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পর্যটক বলেন, “আমরা বসে খাবার খাচ্ছিলাম। আমাদের কোনো ধরনের সতর্কতা বা সময় না দিয়েই এভাবে অভিযান চালানো কতটা দায়িত্বশীলতার পরিচয়, সেটিই প্রশ্ন।”

অভিযান চলাকালে পাশের মাসুম বিল্লাহর হোটেলের সামনেও এক্সকাভেটর প্রায় ২ থেকে ৩ মিনিট অবস্থান করে। তবে হোটেলের মালিককে কিছু না বলেই সেটি সামনে চলে যায় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী এবং ক্ষতিগ্রস্ত মোস্তাক হোটেলের মালিক অভিযানে বৈষম্য করা হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।পরবর্তীতে এক্সেভেটর নিয়ে সাতছড়ি ত্রিপুরা পল্লীর হারিছ দেববর্মা ও চিত্তরঞ্জন দেববর্মার মালিকানাধীন নিসর্গ হোটেলে অভিযান চালাতে গেলে ত্রিপুরা পল্লীর নারী পুরুষ এসে বন বিভাগ কে বাধা দেয় এতে থমকে যায় বন বিভাগের উদ্ধার অভিযান।

এর আগে একই অভিযানে বন বিভাগের জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা কয়েকটি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বনভূমিতে ব্যবসা পরিচালিত হলেও এতদিন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আবার অনেকের মতে, বনভূমি রক্ষায় অবৈধ দখল উচ্ছেদ প্রয়োজন হলেও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া উচিত।

তবে অভিযানে বৈষম্যের অভিযোগ এবং পর্যটকদের আতঙ্কিত হওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বন বিভাগ বা অভিযান পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দ.ক.সিআর

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews