1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
কর্মসংস্থান প্রকল্পের আওতায় দরিদ্র মরম আলীর পাশে “আলোর অঙ্গীকার” প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় উপকেন্দ্র করা যাবে না চুনারুঘাটে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম: থানায় অভিযোগ; বহিস্কার ছাত্রদল নেতা কামরুল সফল উদ্যোক্তা চুনারুঘাটের ইমরান: সোগান মন্ত্রী তেল রপ্তানি করে আয় করছেন বৈদেশী মুদ্রা কাদাপানিতে বন্দিজীবন, চুনারুঘাটে চার গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ দেখার কেউ নেই! হবিগঞ্জে মধুমতি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান: ভুয়া চিকিৎসক আটক চুনারুঘাটে ইনডোর স্পোর্টসের নতুন যুগের সূচনায় ‘Gamezone Chunarughat’ দীর্ঘ ছুটি শেষে স্কুল-মাদ্রাসা খুলছে আজ তোমারে নো ভালা লাগছে আমার দুই নয়নে’ || শিল্প-সাহিত্য চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির চার পাঠ্যবই অনুমোদন

বার্ধক্যের ‘প্রতিষেধক’ রয়েছে কাঁচা আমে!

Reporter Name
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

 

কালনেত্র: দুনিয়াজুড়ে এখন এনজাইম এক্সফোলিয়েটরের জয়জয়কার। কোরিয়ান গ্লাস স্কিন বা কাচের মতো ত্বক পেতে অনেকেই হাজার হাজার টাকা খরচ করে কিনছেন সেই প্রসাধনী। দামি ব্র্যান্ডের নামী পণ্যে ঝকঝকে হয়ে উঠছে ত্বক। দেখাচ্ছে টানটান। বার্ধক্যের ছাপ এড়াতে তারই পিছনে ছুটছেন মানুষ। অথচ যে এনজাইম ব্যবহার করে এত কিছু হচ্ছে, তার ভরপুর জোগান এই গ্রীষ্মে রয়েছে। যার নাম কাঁচা আম।

কাঁচা আমে রয়েছে ‘ম্যাঙ্গিফেরিন’। এটি এক বিশেষ ধরনের এনজাইম যা ত্বকের উপরের স্তরে জমে থাকা ময়লা এবং মৃত চামড়া ঘর্ষণ ছাড়াই আলগা করে দেয়। পরিষ্কার করে দেয় লোমকূপের ভিতরের ময়লাও। এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় সংবেদনশীল ত্বকের বিশেষ কোনও ক্ষতি না করেই। আর সেই বিজ্ঞান প্রয়োগ করেই বিদেশি বহু ব্র্যান্ড তৈরি করছে কাঁচা আমের নির্যাস যুক্ত এনজাইম এক্সফোলিয়েটর। কিন্তু জিনিসটি আদতে কী?

এমন তরল, যা মুখে মাখলে ত্বকে জমে থাকা ময়লা আর দিনের পর দিন জমতে থাকা মৃত চামড়া অনায়াসে উঠে যাবে। নতুন করে শ্বাস নেবে ত্বকের প্রতিটি রন্ধ্র। ঝকঝক করবে মুখ, হাত, গলা, ঘাড়ের চামড়া। বয়সও দেখাবে অনেকটা কম। আর এই সব কিছুই হবে বাজার চলতি এক্সফোলিয়েটর বা স্ক্রাবারের ঘষাঘষি, বালির দানার মতো কর্কশ অনুভূতি আর চড়া রাসায়নিকের ব্যবহার ছাড়া। কাঁচা আমের এনজাইমের সেই ক্ষমতা আছে বলে জানাচ্ছে বিভিন্ন গবেষণা।

নেদারল্যান্ডস, বার্সেলোনা, চীনের জিয়াংসু এবং মালয়েশিয়ার স্টেট ইউনিভার্সিটি, সরকারি ফার্মাসিউটিক্যাল টেকনোলজি বিভাগ এবং খ্যাতনামী গবেষণাগারে বিষয়টি নিয়ে বহু গবেষণা হয়েছে। তাতেই দেখা গিয়েছে কাঁচা আম আরও নানা ভাবে ত্বকের অকালবার্ধক্য প্রতিরোধ করতে পারে। বিশেষ করে গ্রীষ্মপ্রধান দেশে। যেখানে উষ্ণ আবহাওয়া ত্বকের নানা ভাবে ক্ষতি করে।

গরমে কারও ত্বক লোমকূপের উন্মুক্ত মুখ বা ‘ওপেন পোরস’-এর সমস্যায় ভোগে। কারও ত্বকে পড়ে বলিরেখা, আবার সূর্যের আলো থেকে ত্বকে দাগছোপ বা পিগমেন্টেশনও হয়। রোদে পুড়ে তামাটে হয়ে যায় গায়ের রং। আসে অকাল বার্ধক্য। কাঁচা আমের এনজাইম ও নানা উপকরণ শুধু ত্বককে ময়লামুক্ত করে শ্বাস নিতে সাহায্য করে না। আরও নানা ভাবে সাহায্য করে। যেমন—

কোলাজেন বুস্টার

ত্বকের টান টান ভাব চলে যাওয়া, গাল ঝুলে পড়া বা বলিরেখা পড়ার কারণ শরীরে ‘কোলাজেন’ প্রোটিন তৈরি কমে যাওয়া। কোলাজেন তৈরি করতে সাহায্য করে ভিটামিন-সি, যা কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে থাকে। এ ছাড়া এতে থাকা এনজাইম ত্বকের প্রোটিন সংশ্লেষণ বাড়িয়ে ত্বকের টানটান ভাব এবং নমনীয়তা বজায় রাখতেও সাহায্য করে।

‘টান’ থেকে মুক্তি

রোদে পিগমেন্টেশন আর টান ধরতেই পারে ত্বকে। কাঁচা আমের শাঁস সরাসরি ত্বকে লাগালে তা মেলানিন উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। রোদে পোড়া কালচেভাব থেকে মুক্তি মেলে। ত্বক উজ্জ্বল দেখায়।

কোষের আয়ু বৃদ্ধি ও ব্রণ কমায়

সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের কোষের আয়ু দ্রুত কমিয়ে দেয়। কাঁচা আমের জোরালো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের উপর অদৃশ্য সুরক্ষাকবচ তৈরি করে, যা দূষণ এবং কড়া রোদের হাত থেকে কোষগুলোকে বাঁচায়। ব্রণ থেকেও মুক্তি দেয়।

কী ভাবে ব্যবহার করবেন?

কাঁচা আমের নির্যাস সমৃদ্ধ নানা রকমের পণ্য রয়েছে বাজারে। তবে কেনার আগে দেখে নিতে হবে, তাতে কৃত্রিম সুগন্ধী আর ক্ষতিকারক রাসায়নিক মেশানো থাকছে কি না। এ ছাড়া বাজার থেকে কাঁচা আম কিনে বাড়িতে প্যাক বানিয়েও নিতে পারেন।

১। এনজাইম মাস্ক: কাঁচা আম ব্লেন্ড করে মুখে পাতলা করে লাগিয়ে রাখুন ৫-১০ মিনিট। ব্যবহার করার পরে হালকা সুড়সুড়ি বা জ্বালা অনুভব হতে পারে, যা আসলে এনজাইমের কাজ করার লক্ষণ। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। খেয়াল রাখবেন আমের কষ যেন না লাগে।

২। ডি-ট্যান প্যাক: কাঁচা আমের শাঁসের সঙ্গে সামান্য দই আর মধু মিশিয়ে সপ্তাহে দুদিন লাগাতে পারেন। এটি কেবল ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করবে না, ত্বককে ভিতর থেকে আরামও দেবে।

৩। টোনার কিংবা অ্যাস্ট্রিনজেন্ট: খোসা সমেত কাঁচা আম ভালভাবে ধুয়ে টুকরো টুকরো করে কেটে ২ কাপ পানিতে ভাল ভাবে ফোটান। পানিঅর্ধেক হলে ঠান্ডা হতে দিন। এর পরে ছেঁকে নিন। চাইলে এর সঙ্গে গোলাপ জল মেশাতে পারেন বা মেশাতে পারেন আপেল সিডার ভিনেগার অথবা কিছু না মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন। এই টোনার সেবাম নিয়ন্ত্রণ করতে, লোমকূপের মুখ বন্ধ করতে, ত্বককে টানটান করতে এবং ব্রণ কমাতে সাহায্য করে।

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩
৪৫৬৭৮৯১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews