
স্টাফ রিপোর্টার: অতিরিক্ত মূল্যে সার ও বীজ বিক্রয় এবং কৃষকদের সাথে যা ইচ্ছে তাই ব্যবহারের অভিযোগ লেগেই আছে আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন এর বিএডিসির ডিলার মফিজ মিয়ার বিরুদ্ধে।
এ নিয়ে লিখিত অভিযোগ, কৃষকদের প্রতিবাদ, সোশ্যাল মিডিয়া ও পত্র-পত্রিকায় সংবাদও প্রকাশ হয়ে আসছে কয়েক বছর ধরে।
এছাড়াও অধিক মূল্যে সার বিক্রির দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানাও দিয়েছেন চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের আমুরোড বাজারের মোহনা ট্রেডার্স এর প্রোপ্রাইটর মফিজ মিয়া।
সম্প্রতি আউশ মৌসুমকে সামন রেখে তিনি ১৩শ ৫০ টাকার টিএসসি সার ১৫শ টাকা ও ১হাজার ৫০টাকার ডিএপি সার ১২শ ৫০ টাকার কমে দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করছেন কৃষকরা।
আবহাওয়ার কারণে বোরো মৌসুমে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা দিশেহারা হচ্ছেন নির্ধারিত মূল্যের অধিক ছাড়া সার না পেয়ে।
এ বিষয়ে মফিজ মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রয় করছেন না। তবে, বিএডিসি বলে দিয়েছে টিএসসি বা ডিএপির সম পরিমাণ পটাশ (এমওপি) সার না নিলে টিএসসি ও ডিএপি সার বিক্রয়ে নিষেধ রয়েছে।
বিএডিসির সিলেট অঞ্চলের উপপরিচালক হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কৃষকরা ডিলারদের কাছ থেকে চাহিদা মতো সার নির্ধারিত মূল্যে নিতে পারবেন। একটা নিলে আরেকটা নিতে হবে এমন কোনো নিয়ম নেই।
বিএডিসি শুধু ডিলারদেরকে বীজ ও সার সংগ্রহ দেয়। বাকি দেখাশোনার দায়িত্ব কৃষি অধিদপ্তরের।
কৃষকরা মফিজ মিয়ার অধিক মূল্য ও অশোভন কথাবার্তা থেকে মুক্তি চান।
দ.ক.সিআর.২৬