1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
কর্মসংস্থান প্রকল্পের আওতায় দরিদ্র মরম আলীর পাশে “আলোর অঙ্গীকার” প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় উপকেন্দ্র করা যাবে না চুনারুঘাটে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম: থানায় অভিযোগ; বহিস্কার ছাত্রদল নেতা কামরুল সফল উদ্যোক্তা চুনারুঘাটের ইমরান: সোগান মন্ত্রী তেল রপ্তানি করে আয় করছেন বৈদেশী মুদ্রা কাদাপানিতে বন্দিজীবন, চুনারুঘাটে চার গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ দেখার কেউ নেই! হবিগঞ্জে মধুমতি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান: ভুয়া চিকিৎসক আটক চুনারুঘাটে ইনডোর স্পোর্টসের নতুন যুগের সূচনায় ‘Gamezone Chunarughat’ দীর্ঘ ছুটি শেষে স্কুল-মাদ্রাসা খুলছে আজ তোমারে নো ভালা লাগছে আমার দুই নয়নে’ || শিল্প-সাহিত্য চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির চার পাঠ্যবই অনুমোদন

চুনারুঘাটে মাদক নির্মূলে পুলিশের কোনো অভিযান নেই 

Reporter Name
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

 

কালনেত্র প্রতিবেদক: বাংলাদেশ সরকার মা*দ*কের বেলায় জিরো টলারেন্স। শুরু হয়েছে মা*দ*ক দমন অভিযান। হবিগঞ্জ জেলার কোথাও কোথাও অভিযান চললেও চুনারুঘাটে নেই এর ছিটে ফোটা।

তথ্য অনুসন্ধান কালে জানাগেছে হবিগঞ্জ-৪ আসনে সৈয়দ মোঃ ফয়সল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে নির্বাচিত হন। নির্বাচনী ইস্তেহারে সব দলের প্রার্থীরা স্ব স্ব এলাকা মা*দ*ক মুক্ত রাখার ঘোষণা দেন। চুনারুঘাট তার ব্যতিক্রম নয়। বর্তমানে বিভিন্ন জেলায় চলছে অভিযান। আটক হচ্ছে ডজন ডজন বিক্রেতা ও সেবনকারী। চুনারুঘাটে তার নাম মাত্র দেখা যাচ্ছে না। অথচ এ আসন থেকে জাতীয়তাবাদী দলের সাংসদ সদস্য নির্বাচনী ইশতেহারে মা*দ*ক মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। নির্বাচনের পর এ বিষয়ে কোনো তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।

অন্যান্য আসনের মাননীয় সাংসদদের মতো জিরো টলারেন্স না হওয়ায় পুলিশ প্রশাসন নিচ্ছে বাড়তি সুবিধা। এখানে এ ব্যাবসায়ীদের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং সাধারণ মানুষ। তাদের সাথে রয়েছে পুলিশের সখ্যতা।

এখন গ্রামাঞ্চলের চায়ের দোকান, মুদিখানা ও ঔষধের দোকানে পাওয়া যায় মা*দ*ক। এক কথায় এখানে হাত বাড়ালেই পাওয়া যায় মাদক।

চুনারঘাট থানার আওতাধীন সাদ্দাম বাজার, করইটিলা ও কালিশিরি এলাকায় এর প্রভাব বেশি। আসামপাড়া, বাল্লা, সাদ্দাম বাজার, করইটিলা, কালিশিরি, বাঘারুক, ইনাতাবাদসহ আমতলিতে নাকের ডগায় বেচাকেনা চলে মা*দ*ক। মাসিক চাঁদা সময় মতো না দিলে পুলিশ আটক করে দু একজন ব্যাবসায়ীকে। সেবনকারী হিসেবে আদালতে হাজির করে।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে বাংলাদেশের আইনে সেবনকারীদের বেলায় কঠোর আইন না থাকায় পুলিশ ব্যাবসায়ীদের আদালতে হাজির করে সেবনকারী হিসেবে। ব্যাবসায়ীদের বেলায় আইন কঠোর এবং কিছু বাধ্যবাধকতা থাকায় পুলিশ পরিবর্তন করে চরিত্র। যে কারণে ব্যবসায়ীরা অল্প সময়ে হাজত থেকে বের হয়ে পুনঃ ব্যাবসা শুরু করে।

একটি সূত্র জানায়, অভিযানের তথ্য আগেই জানানোর জন্য থানা পুলিশকে দিতে হচ্ছে আলাদা টাকা। ফলে পত্রিকায় লিখে কোন লাভ হয় না।

বর্তমানে মা*দ*কের ভয়াবহ ছড়াছড়ি দেখে অভিভাবক মহল সংকিত। নিজ সন্তানদের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত। এব্যাপারে তারা এ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সল ও নারী এমপি শাম্মি আক্তারসহ সংশ্লিষ্ট মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সাংসদসহ উর্ধ্বতন মহল জিরো টলারেন্স না হওয়া পর্যন্ত চুনারঘাট থেকে বিদায় হবে না মা*দ*ক।

চুনারুঘাট মা*দ *ক মুক্ত হোক এটাই সকলের প্রত্যাশা।

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩
৪৫৬৭৮৯১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews