1. live@kaalnetro.com : Bertemu : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন

চুনারুঘাটে সড়কের পাশে ঝুকিপূর্ণ গাছ, অপসারণের উদ্যোগ জরুরী

দৈনিক কালনেত্র
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

 

কালনেত্র প্রতিবেদক : চুনারুঘাট সদর উপজেলার হাজী আলিম উল্লাহ আলিয়া মাদ্রাসার সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং বন বিভাগের আওতাধীন সড়কের পাশে বেঁকে আছে বড় বড় নানা প্রজাতির গাছ। দীর্ঘদিন এভাবে পড়ে থাকায় এর আতংক নিরাজ করছে পথচারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে। কিন্তু অপসারণের কোনো উদ্যোগ নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। অথচ এসব সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রী, অসংখ্য পথচারী ও যানবাহন। অনেক সময় হালকা বাতাসে গাছের ডাল-পালা ভেঙে সড়কের ওপর পড়ছে।

পথচারী ও এলাকাবাসীরা জানান, উপজেলার আলিয়া মাদ্রাসার রাস্তার পাশে পুরনো কিছু গাছ বেঁকে আছে। কিন্তু সরকারি গাছ হওয়ায় তা কেউ কেটে নিচ্ছেন না। তবে গাছগুলো ঝুঁকিপূর্ণভাবে দাঁড়িয়ে আছে, যে কোনো সময় পথচারীদের ওপর ওই গাছ বা তার ডালপালা ভেঙে পরে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। তাই এখনই গাছগুলো চিহ্নিত করে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে জেলা প্রশাসন বলছে ইতোমধ্যে সড়ক ও জনপথ বিভাগসহ অন্যান্য দফতরকে ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো কেটে অপনারণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে সওজের চুনারুঘাট বাল্লা রোড থেকে আলিয়া মাদ্রাসার রাস্তার পাশে বন বিভাগের বিভিন্ন জাতের মোটা কিছু গাছ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে।

এসব সড়কে চলাচলকারী যানবাহন চালকরা বলেন, গাড়ি চালানোর সময় তারা দুশ্চিন্তায় থাকেন। চলন্ত অবস্থায় তাদের যানবাহনের ওপর পড়লে বড় ধরনের ক্ষতি বা প্রাণহানির মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। এ কারণে তারা রাস্তার পাশ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো দ্রুত অপসারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জেলার ভারপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা বলেন, স্ব-স্ব এলাকার জনগণকে নিয়ে রাস্তার পাশে সামাজিক বনায়ন করা হয়। যার কিছু কিছু গাছ এখন বিভিন্ন রাস্তার পাশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু ইচ্ছে করলেই সেগুলো অপসারণ করতে পারেন না। তবে সুবিধাভোগীর সংখ্যা বেশি বলে তাদের মাধ্যমে চিহ্নিত করে অনেক সময় সংরক্ষণ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা পরিবেশ ও বন উন্নয়ন কমিটির অনুমোদনের মাধ্যমে গাছ কাটা হয়। আইন অনুযায়ী বিভিন্ন সরকারি ও আধাসরকারি মালিকানাধীন কোনো গাছ কাঁটতে হলে বিভাগীয় বন বিভাগের কর্মকর্তা বরাবর সংশ্লিষ্ট জেলা কর্মকর্তার আবেদন করতে হয় এবং বিভাগীয় কর্মকর্তা তার অধীনস্থ্ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে গাছের মুল্য নির্ধারণ ও পরিমাপ তালিকা প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে পাঠাবে। পরে তারা স্ব-স্ব নিয়ম অনুযায়ী গাছগুলো বিক্রির ব্যবস্থা করেন। এছাড়া অন্যান্য দফতর ভিন্ন ভিন্ন কমিটির মাধ্যমে তাদের রাস্তার পাশের গাছ অপসারণের সিদ্ধান নেন।

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ গাছ শনাক্ত করে স্থানীয় ইউপি চেয়রম্যানরা রেজুলেশন করে উপজেলা বরাবর পাঠালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়।

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট