
কালনেত্র : দেশের অনেক এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। সবখানেই কনকনে ঠান্ডা আর ঘন কুয়াশায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা থমকে যায়। কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌপথে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, এই সময়ে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন ছিন্নমূল মানুষ, দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষরা— হাসপাতালে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা, বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। শীতের এই তীব্রতা থাকবে আরও কয়েকদিন।
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, শীতের এই তীব্রতা আরও কয়েকদিন থাকতে পারে, ফলে সারা দেশে শীতের ভোগান্তি আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে ঢাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশের ২২ অঞ্চলের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি বা তার চেয়ে কম।
আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তপশ্চিম দিকে সরে গিয়ে ১০ জানুয়ারি উত্তর কুয়াশাশ্রীলঙ্কা উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থান করছে।
আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।
মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। আরসারা দেশের রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
দ.ক.সিআর.২৫