1. live@kaalnetro.com : Bertemu : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৫:০০ অপরাহ্ন

স্কুলে অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা! প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি

‎ইমাম হোসেন, ধর্মপাশা প্রতিনিধি:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ২নং সেলবরষ ইউনিয়নের শরিশ্যাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দায়িত্বরত প্রধান শিক্ষক চৌধুরী তোহিদুন নবীর বিরুদ্ধে নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগগুলো বারবার জানালেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো তৎপরতা না থাকায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভ বাড়ছে।

‎বিদ্যালয়ে মোট পাঁচজন শিক্ষক থাকলেও  প্রধান শিক্ষকের নিয়মিত উপস্থিতির ঘাটতি নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ। স্কুলের নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকার কথা সকাল ৯টা, কিন্তু তিনি প্রায়ই ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে স্কুলে উপস্থিত হন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চার্জার আনতে দেরি হয়ে গেছে।

‎শিক্ষকদের অভিযোগ, একই শ্রেণিকক্ষে একসঙ্গে দুইটি ক্লাস নেওয়ার মতো অস্বাভাবিক পদ্ধতি প্রয়োগ করেন, বিদ্যালয়ের একটি রুম তালাবদ্ধ করে নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী টেবিল-চেয়ারসহ আসবাবপত্র সেখানে গচ্ছিত রাখেন, অথচ শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো বসার জায়গা পায় না;

‎সহকারী শিক্ষকদের কোনো পরামর্শ বা অনুরোধই তিনি গুরুত্ব দেন না।

‎তিনি আমাদের কথা শোনেন না। অফিসের  ভিতর দুই শ্রেণীর  ছাত্রদেরকে পড়াতে আমাদের সমস্যা হয়। অফিসের শিক্ষকদের বসার জন্য  কিছু চেয়ার আনার অনুরোধ করলেও তিনি তা কর্ণপাত  করেননি।

এলাকাবাসী ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যরা জানান, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের আয়- ব্যয়ের কোনো হিসাব ঠিকমতো দেন না। ওয়াইফাই সংযোগটিও তিনি শুধুমাত্র নিজের ব্যক্তিগতভাবে  ব্যবহার করেন, বাকি শিক্ষকরা সংযোগ বঞ্চিত। তিনি স্কুলে এলেও অনেক সময় দুইটা থেকে তিনটার মধ্যে চলে যান।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগও কম নয়, তারা বলে, একই রুমে দুইটা ক্লাস হয়। চেঁচামেচি আর কোলাহলে  কিছুই ঠিকমতো পড়তে পারি না।

বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামতের বাজেট ও হিসাব নিয়ে প্রশ্ন উঠলে প্রধান শিক্ষক প্রথমে স্লিপ দেখানোর কথা বলেন। তিনি দাবি করেন,মেরামতের জন্য বরাদ্দ ছিল ৭০ হাজার টাকা। ভ্যাট ও ট্যাক্স কেটে ৪৩ হাজার ২০০ টাকা পেয়েছি।

কিন্তু সাংবাদিকদের সামনে কোনো স্লিপ বা কাগজপত্রই তিনি দেখাতে পারেননি। একবার চাবি খুঁজছেন, আবার আলমারি খুঁজছেন, এভাবে তালবাহানা করলেও শেষ পর্যন্ত  হিসাব দেখাতে ব্যর্থ হন। পরে তিনি বলেন, সাংবাদিক সাহেব, আপনাদের সাথে কিছু গোপন কথা আছে।

শেষ পর্যন্ত ক্ষুদ্র মেরামতের স্লিপ কিংবা ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি উপস্থাপন করতে পারেননি।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী বলেন, বিদ্যালয়ে যেসব অনিয়ম চলছে, তার সঙ্গে প্রধান শিক্ষক সরাসরি জড়িত। শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া এই ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে, তবেই বিদ্যালয়ে স্বচ্ছতা ও সুশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আসবে।

দ.ক.সিআর.২৫

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট