1. live@kaalnetro.com : Bertemu : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
নির্বাচন সামনে রেখে বাহুবলে যৌথবাহিনীর অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা বিজিবির অভিযানে ট্রাকভর্তি পাথরের নিচে লুকানো ভারতীয় জিরা জব্দ মাঠপর্যায়ের প্রতিনিধিরাই গণমাধ্যমের মূল শক্তি- সিরাজুল মনির হবিগঞ্জে কলেজ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নির্বাচনী অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত দৈনিক বর্তমান বাংলার বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত চুনারুঘাটে গতরাতে সেনা অভিযানে গাঁজা-মদ বিক্রেতাদের আটক আয়েশা আহমেদের উপন্যাস ‘ভাঙা ঘরে চাঁদের আলো’র মোড়ক উন্মোচন ভোটাধিকার রক্ষায় খালেদা জিয়ার আন্দোলনের কথা স্মরণ করলেন আনিসুল  তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে শ্রীমঙ্গলে বিএনপির প্রস্তুতি সভা  মাধবপুরে ৩২ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

কেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামাত একটি সংবেদনশীল এবং বিতর্কিত বিষয়

দৈনিক কালনেত্র
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫

কালনেত্র ডেস্ক: ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত বিতর্কিত। দলটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করে এবং পাকিস্তানের অখণ্ডতা বজায় রাখার পক্ষে অবস্থান নেয়।

জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের তৎকালীন ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘ (বর্তমানে ইসলামী ছাত্রশিবির) পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য বিভিন্ন আধা-সামরিক বাহিনী গঠন করে, যেমন:

* রাজাকার:
এটি ছিল একটি আধা সামরিক বাহিনী যা পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করত এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন দমনে সক্রিয় ছিল।

* আল-বদর:
এটি ছিল একটি বুদ্ধিজীবী নিধনকারী বাহিনী, যারা মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকে অনেক বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, চিকিৎসক এবং সাংবাদিককে হত্যা করেছিল।

* আল-শামস:
এটিও ছিল আরেকটি সহযোগী বাহিনী যা পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে মিলে বিভিন্ন atrocities (নির্যাতন) এবং গণহত্যায় জড়িত ছিল।

* শান্তি কমিটি:
জামায়াতে ইসলামীর নেতারা বিভিন্ন “শান্তি কমিটি” গঠনে নেতৃত্ব দেন, যা মূলত পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীকে সহযোগিতা করত এবং স্বাধীনতাকামী বাঙালিদের বিরুদ্ধে কাজ করত।
জামায়াত নেতারা যুক্তি দিয়েছিলেন যে, তারা ভারতের আধিপত্যের আশঙ্কা এবং ইসলামী আন্দোলনের স্বার্থকে সামনে রেখে পাকিস্তানের অখণ্ডতা বজায় রাখতে চেয়েছিলেন। তাদের মতে, ভাষাগত জাতীয়তাবাদ মুসলিম ঐক্যে ফাটল ধরাতে পারে।
স্বাধীনতার পর, বাংলাদেশ সরকার জামায়াতে ইসলামীকে রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে এবং দলের অনেক নেতা পাকিস্তানে নির্বাসিত হন।

পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর এবং সামরিক শাসন আসার পর, জামায়াতের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয় এবং তারা আবার রাজনীতিতে সক্রিয় হয়।
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (International Crimes Tribunal) ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধের জন্য জামায়াতের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে convicted (দোষী সাব্যস্ত) করে এবং তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ছিল।

দ.ক.সিআর.২৫

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট