1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
শেষে এসেও আলোচনার শীর্ষে এমপি ভ্রাতা সাইফুল; তফসিল ঘোষণা না হলেও জোরেশোরে বইছে আহম্মদাবাদে নির্বাচনী হাওয়া চুনারুঘাটে উলামা পরিষদের উদ্যোগে সিরাত মাহফিল ও হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা আগামীকাল  আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে নতুন চমক সংসদ সদস্য শাম্মী’র ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম গাজীপুর স্কুলের গভর্নিং বডির অভিভাবক প্রতিনিধি নোমান আহমেদ নির্বাচিত চুনারুঘাটে এক অসহায় বৃদ্ধা নারীর জমি দখলের পায়তারা করছে একটি ভূমিকেখো চক্র চুনারুঘাটে ইসলামী ছাত্রসেনার প্রতিনিধি সম্মেলন ও কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত স্থবির আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ, ভোগান্তিতে সেবাপ্রত্যাশীরা দেশে আত্মহত্যার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি স্কুল শিক্ষার্থীদের শিশুকে যেভাবে বইয়ে আগ্রহী করে তুলবেন চুনারুঘাটে মা’কে মারধোর; প্রীতম দাসের ৬ মাসের কারাদণ্ড

পুলিশের জন্য কোন মামলার তদন্তে কত টাকা বরাদ্দ-

Reporter Name
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৪

সাজ্জাদ হোসেন◾

পুলিশ সদরদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কর্মকর্তারা ডাকাতি ও খুনের মামলায় তদন্তের জন্য পান ৬ হাজার টাকা করে। অপহরণ ও মানবপাচার মামলায় পান ৫ হাজার টাকা। দস্যুতা ও অপমৃত্যু মামলায় ৪ হাজার, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও মাদক দ্রব্য সংক্রান্ত মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা পান ২ হাজার টাকা করে।

 

এসিড সংক্রান্ত মামলা, দ্রুত বিচার আইনের মামলা, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলা, অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য সংক্রান্ত মামলা ও মানি লন্ডারিং মামলা তদন্তে ৩ হাজার টাকা পান তদন্ত কর্মকর্তা। এরমধ্যে অর্ধেক পাওয়া যায় তদন্তের শুরুতে। বাকিটা চার্জশিট দেওয়ার পর।

 

তদন্ত কর্মকর্তাকে এই টাকা দিয়েই ঘটনাস্থল পরিদর্শন, সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ, আসামি গ্রেপ্তার, ফোর্সসহ বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা বাবদ গাড়ি ভাড়া (সরকারি গাড়ি ব্যতিত) ও অন্যান্য ব্যয় বহন করতে হয়।

 

এই বরাদ্দ থেকেই মামলার নথিপত্র প্রণয়ন, সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রের কপি, মৃতদেহের ছবি তোলা (ভিডিও ও স্থির চিত্র), ভিসেরা প্রেরণ, পোস্ট মর্টেম রিপোর্ট সংগ্রহ এবং কোর্টে আলামতসহ চার্জশিট/ফাইনাল রিপোর্ট পাঠানো, নারী ভিকটিমকে আদালতে/হাসপাতালে আনা নেওয়ার খরচও করতে হয় তদন্ত কর্মকর্তাকে।

 

বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন—

মামলার তদন্ত কাজের খরচ বাদীর কাছ থেকে নেওয়ার আইনগত কোনও সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক ও আইনজীবী হাসনাত কাইয়ুম। তিনি বলছেন, এর কোনও আইনগত ভিত্তি নেই।

 

এ বিষয়ে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ উমর ফারুকের মতে, “পুলিশ বাহিনীর জন্য এটা অনেক বড় সমস্যা। তদন্ত কর্মকর্তা যখন অভিযানে যায়, তার জন্য মোটরসাইকেলের কিংবা গাড়ির জ্বালানি ও খরচ কিছুই বরাদ্দ থাকে না। তদন্ত কর্মকর্তাকে নিজে উদ্যোগ নিয়ে সব ব্যবস্থা করতে হয়। এজন্য অনেক সময় তদন্ত কর্মকর্তাকে বাধ্য হয়ে খরচের জন্য বাদীকে ম্যানেজ করতে হয়। এটাতো হতে পারে না। তদন্ত কাজে পর্যাপ্ত বরাদ্দ না থাকায় পুলিশ দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এতে ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত হয়।”

 

তিনি আরও বলেন, “এই খরচ যোগানোর দায়িত্ব রাষ্ট্রের। তদন্ত কাজের জন্য প্রণোদনা সঠিকভাবে দিলে পুলিশের দুর্নীতি কমবে। বাদীর সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। আমরা খুব জলদিই এসব নিয়ে কাজ শুরু করব। এসব জায়গায় পরিবর্তন না আনতে পারলে আমরা কখনও কাঙিক্ষত পুলিশ পাব না।”

দ.ক.সিআর-২৪

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews