বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বানিয়াচং-হবিগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে থানা পুলিশের চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনা স্মৃতিতে রাজার বাজার হাইস্কুলের জন্ম কথা- সুকেশ চন্দ্র দেব বাহুবলে প্যালেস লাক্সারি রিসোর্টে সাংবাদিক প্রবেশের বিধিনিষেধ নিয়ে ক্ষোভ হবিগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুলে আউটরিচ ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে হবিগঞ্জের তরুণদের প্রশিক্ষণ হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কারাগার পরিদর্শন, বন্দিদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনে গুরুত্বারোপ পাহাড়ি ঢলে ধসে পড়েছে চুনারুঘাটের লস্করপুর ও কাপাই চা বাগানের সেতু বাহুবলে নির্মাণাধীন ব্রিজ নিচু হওয়ায় হুমকিতে ফসলি জমি, বন্ধের পথে নৌ-চলাচল জাতীয় গ্রন্থপাঠ প্রতিযোগিতায় ❝সেরাদের সেরা❞ চুনারুঘাটের কৃত্তিকা পাল চুনারুঘাটে আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে প্রশাসনের কড়া নজরদারি

আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর ১২টা হাতি মরে গেছে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫

 

কালনেত্র ডেস্ক: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, হাতি সংরক্ষণে হাতির প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণ করতে হবে। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর ১২টা হাতি মরে গেছে। হাতির উপযোগী গাছ লাগানো, করিডোর চিহ্নিত করে বাধামুক্ত রাখা, জরিপের মাধ্যমে হাতির সঠিক সংখ্যা নির্ধারণ এবং মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। ক্যাপটিভ হাতি নিয়ন্ত্রণ, গ্রামীণ জনগণকে সচেতন করা এবং হাতির জন্য টেকসই আবাসস্থল নিশ্চিত করা জরুরি।

বুধবার (২০ আগস্ট) বন ভবনে বিশ্ব হাতি দিবস ২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, হাতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এর আওতায় ৩৫০ হেক্টর জমিতে হাতির খাদ্যোপযোগী গাছের বাগান, ৫০ হেক্টর বাঁশবাগান সৃজন এবং রোপিত উদ্ভিদের যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

উপদেষ্টা জানান, মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনের জন্য ইকোলোজিক্যাল বাউন্ডারি বায়োফেন্সিং নির্মাণ করা হবে, যেখানে বেত, লেবু ও বড়ইসহ কাঁটাজাতীয় জীবন্ত বেড়া দিয়ে ১০ কিলোমিটার সীমানা তৈরি হবে। একইসঙ্গে এলিফ্যান্ট রিজার্ভ-সংলগ্ন এলাকায় ‘অ্যান্টি ডেপ্রেডেশন স্কোয়াড (এডিএস), এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম (ইআরটি) ও এলিফ্যান্ট রেসকিউ টিম’ গঠন করে কার্যক্রম জোরদার করা হবে। হাতির চলাচল পর্যবেক্ষণে ১৬টি ট্রি টাওয়ার নির্মাণ করা হবে এবং গাজীপুর সাফারি পার্ক ও ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে দুটি হাতি উদ্ধার কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

অপরদিকে আহত হাতির চিকিৎসার জন্য সিলেট, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি ও শেরপুর অঞ্চলে অস্থায়ী সেড নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে এনথ্রোপোজেনিক প্রভাব ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিরূপণ এবং নৃ-বৈজ্ঞানিক জরিপ পরিচালনা করা হবে। চট্টগ্রামের চুনতিতে দশ একর জায়গাজুড়ে একটি হাতি অভয়ারণ্য স্থাপন করা হবে, যেখানে পোষা হাতিদের পুনর্বাসন করা হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. খায়রুল হাসান; দুবাই সাফারি পার্কের প্রাক্তন প্রিন্সিপাল ওয়াইল্ডলাইফ স্পেশালিস্ট ও বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ ড. মোহাম্মদ আলী রেজা খান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এম মনিরুল এইচ খান, আরণ্যক ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক ও হাতি বিশেষজ্ঞ ড. মোহাম্মদ আবদুল মোতালেব।

দ.ক.সিআর.২৫

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized By BreakingNews