বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
চুনারুঘাটে কোয়াব কমিটিতে সভাপতি শাহ নেওয়াজের সঙ্গী হলেন যারা বাহুবল মডেল থানার নতুন ওসি হিসেবে যোগদান করলেন মো. আলী আশরাফ হবিগঞ্জে রেস্টুরেন্ট ব্যবসার নামে গোপন কক্ষে অশ্লীলতা: পুলিশের অভিযান বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন চুনারুঘাটের নাসির বাহুবলে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের কারাদন্ড আলোচিত শিক্ষা কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা কে কুলাউড়ায় যোগদানের নির্দেশ মানুষের নিরাপত্তা ও উন্নয়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: এমপি ফয়সল  হাবিব খোকন এর রম্য কবিতা “তোমার শিল্প, আমার কলা” ৮ ধরনের পণ্য বাজার থেকে তুলে নেওয়ার নির্দেশ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া পরিচালনা কমিটি গঠনের নির্দেশ

লাসুবন গিরিখাত ঘন জঙ্গলবেষ্ঠিত এক পাথুরে পাহাড়: ফয়সাল আহমেদ তুষার

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৪

প্রতিবেদক

মো: ফয়সাল আহমেদ তুষার◾

লাসুবন গিরিখাত হল একটি প্রাচীন গিরিখাত যা মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। যার অবস্থান ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্তবর্তী সিন্দুরখান ইউনিয়নের ঘন জঙ্গলবেষ্ঠিত পাহাড়ি এলাকায়।

 

খাসিয়া ভাষায় লাসুবন শব্দের অর্থ হলো পাহাড়ি ফুল বা জংলি ফুল। লাসুবন গিরিখাত অফিসিয়াল নাম হলেও শ্রীমঙ্গল গিরিখাত নামেই স্থানীয়দের কাছে বহুল পরিচিত। ছোট-বড় অনেকগুলো পাথুরে ছড়া বা ঝিরি রয়েছে এই গিরিখাতে। তবে এই এলাকায় বড় তিনটি গিরিখাতের সন্ধান পাওয়ায় এটি পর্যটকদের নজরে আসে। স্থানীয় খাসি ভাষায় ক্রেম ক্লু, ক্রেম কেরি ও ক্রেম উল্কা নামে প্রচলিত যা পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়।

 

লাসুবন গিরিখাতগুলোর কোনটা এক কিলোমিটার, আবার কোনটা এর চেয়ে কম। নিচে নামলে হঠাৎ যদি উপর থেকে পানি নামে তাহলে উপরে ওঠার কোন পথ থাকে না বলে এই গিরিখাতগুলোতে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। কিছু কিছু জায়গা আবার খাড়া পাথরের দেয়াল। যেখানে খুব সহজে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। স্থানীয় নাহার খাসিয়া পুঞ্জির অভ্যন্তরে গিরিখাত এলাকাটির অবস্থান। লাংগুলিয়া ছড়া নামের একটি পাহাড়ি ছড়া ধরে পুরো এলাকাটি ঘুরে আসা যায়। যেটি ভারতের ত্রিপুরা থেকে নেমে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। ছড়াটি প্রায় ২৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে মিশেছে শ্রীমঙ্গলের বিলাস ছড়ায়। সর্পিল বাঁক নিয়ে চলা ছড়ার সাথে মিশেছে আরও প্রায় শ’খানেক ছোট-বড় পাথুরে ছড়া। এর মধ্যে কয়েকটি গিরিখাত রয়েছে। পাহাড় থেকে ৫০০ মিটার নিচে এসব গিরিখাত কোথাও আকারে চ্যাপ্টা আবার কোথাও সরু। ফলে একেবারে নিচের বা ভেতরের অংশে সূর্যের আলো পৌঁছানোর সুযোগ নেই। স্থানীয়রা এটিকে উল্কা বলে ডাকেন।

 

তবে বর্ষা মৌসুমে পানির প্রবাহ বেশি থাকে পাহাড়ের বুক বেয়ে নেমে আসা এসব ছোট ঝিরিগুলোতে। তখন ওসব এলাকায় চলাচল অনিরাপদ।

ভ্রমণ অভিজ্ঞতা
মো: ফয়সাল আহমেদ তুষার, স্কুল শিক্ষক, চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ।

 

দ.ক.সিআর.২৪

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized By BreakingNews