1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
গুরু ও পিতা-মাতা; যাদের ঋণ শোধ হয় না দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় এসআরবি-৯-এর বিশেষ নজরদারি, মাঠে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল মিরপুরে তীব্র যানজট, নিয়মিত ট্রাফিক পুলিশ না থাকায় জনদুর্ভোগ চুনারুঘাটে চেয়ারম্যান প্রার্থী মারুফের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ইউএনও-র সাথে চুনারুঘাট মডেল প্রেসক্লাবের মতবিনিময়  চুনারুঘাট সরকারি কলেজের সামনে অবৈধ বাণিজ্য মেলা: ৫ জনের কারাদণ্ড চুনারুঘাটে চা-বাগান এলাকায় তিন বন্ধুর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা: প্রাণ গেল একজনের, আশঙ্কাজনক ২ স্বাধীন সাংবাদিকতা, তথ্য ও মতপ্রকাশের সুরক্ষায় ১২ দফা সুপারিশ ক্যান্সার আক্রান্ত পারভীন আক্তার কে আর্থিক সহযোগিতা করলেন মানবিক বিল্লাল মিয়া চুনারুঘাটের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ ছয়শ্রীর দূর্গোৎসব

বন্যা দুর্গত এলাকার জন্য ছাত্রদের ৭০০ বিঘা জমির ধানের চারা তৈরি-

Reporter Name
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

 

কালনেত্র প্রতিবেদক◾

বন্যা পরবর্তী কৃষি ও খাদ্য সংকট মোকাবিলায় উদ্যোগ নিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীরা। আসছে মৌসুমে দুর্গত এলাকায় ধান চাষের জন্য ‘নাবি আমন’ ধানের বীজতলা তৈরি করছেন তারা। ১৮ থেকে ২০ দিন পর উৎপাদিত এসব ধানের চারা পৌঁছে দেয়া হবে বন্যা কবলিত এলাকায়, যা থেকে প্রায় ৭০০ বিঘা জমিতে আবাদ করা যাবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

জানা যায়, অতিবৃষ্টি ও ভারতের ত্রিপুরা থেকে নেমে আসা ঢলে তলিয়ে গেছে দেশের ১১ জেলা। স্মরণকালের এ বন্যায় এখনো পানিবন্দি লাখো মানুষ। মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষিখাত। আমনের বীজতলা ও চারা সব নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বড় ধরণের খাদ্য সংকটের শঙ্কায় রয়েছেন বানভাসিরা।

এদিকে দেশের মানুষ বন্যা মোকাবিলা করছে সম্মিলিতভাবে। আর কৃষির ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ও খাদ্য সংকট মোকাবিলায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে উদ্যোগ নিয়েছে ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বন্যা পরবর্তী সময়ে কৃষকদের সহায়তা করতে বিনামূল্যে ‘নাবি আমন’ ধানের চারা বিতরণ করার উদ্যোগ নিয়েছেন তারা।

এরইমধ্যে প্রস্তুত করা ১২ একর জমিতে চলছে ‘বিনা-১৭’ ও বায়ার বাংলাদেশের ‘ধানি গোল্ড’ জাতের ধানের বীজ বপনের কাজ। ১৮ থেকে ২০ দিন পর উৎপাদিত এসব ধানের চারা পৌঁছে দেয়া হবে বন্যা কবলিত এলাকায়, যা থেকে প্রায় এক হাজার কৃষক ৭০০ বিঘা জমিতে করতে পারবেন ধানের আবাদ।

শিক্ষার্থীরা জানান, কিছুদিন পর বন্যার পানি নেমে গেলেও, আবার চারা তৈরি করতে অন্তত এক মাসের মতো সময় লাগবে। এতে আমন ধান লাগানোর সময় পার হয়ে যাবে। আবার বন্যার কারণে চারা তৈরি করতে না পারলে কৃষকরা সমস্যায় পড়বেন। দেশে দেখা দেবে খাদ্য সংকট। তাই খাদ্য সংকটের কথা মাথায় রেখে আমরা বন্যা পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ধানের চারা দিয়ে সহায়তা করার উদ্যোগ নিয়েছি।

পরে যোগ দিয়েছেন অন্যান্য কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও।

ক_
সিআর—২৪

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews