
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের ঘনশ্যামপুর এলাকায় মাদক কারবার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পিন্টু ও ইলিয়াস নামে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় পুনরায় জড়িয়ে পড়া এবং মাদক পাচারে নারীদের ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত পিন্টু ও ইলিয়াস রঙ্গু মিয়ার ছেলে। গত ৬ আগস্ট ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতারের পর তারা কারাগারে যান। পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি পেয়ে এলাকায় ফেরেন বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, জামিনে মুক্তির পর তাদের মাদক কারবারের তৎপরতা নিয়ে নতুন করে সন্দেহ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে মাদক পরিবহনে নতুন কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে। এমনকি পরিবারের নারী সদস্যদের ব্যবহার করে মাদক পাচারের অভিযোগও উঠেছে।
মাদক পাচারে নারীদের ব্যবহারের অভিযোগটি বিশেষভাবে গুরুত্বের দাবি রাখে। অভিযোগটি সত্য হলে তা শুধু মাদকবিরোধী অভিযানকে জটিল করবে না, বরং পরিবারের নারীদেরও ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে।
স্থানীয় সচেতন মহলের প্রত্যাশা, অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করবে। ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতারের ঘটনার মামলা, জামিনের নথি এবং পরবর্তী সময়ে মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ—সবকিছু যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
মাদক একটি পরিবার, সমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। তাই ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের যথাযথ তদন্তের পাশাপাশি ঘনশ্যামপুর এলাকায় মাদকবিরোধী নজরদারি জোরদার করা জরুরি।
নোট: অনুসন্ধানে ৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে র্যাব-৯-এর অভিযানে পিন্টু মিয়া, ইলিয়াস মিয়া ও শিমু মীরের ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতারের তথ্য পাওয়া গেছে। রঙ্গু মিয়ার দুই ছেলে পিন্টু ও ইলিয়াস—এ তথ্যও একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
দ.ক.সিআর