
অবৈধভাবে ধানি জমির উর্বর মাটি (টপসয়েল) কেটে ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগে উঠেছে চুনারুঘাটের আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের মোঃ জাহির মিয়াকে তলব করেছে উপজেলা প্রশাসন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও
চুনারুঘাটের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌফিক আনোয়ারের নির্দেশে আজ ৪ নভেম্বর ( বুধবার) দুপুরে চুনারুঘাটের গাদিশাল হাজি বাড়ি এলাকায় য়ান স্থানীয় বিশগাও ভুমি অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তা আবুল কালাম চৌধুরী।
সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী মহল আইন অমান্য করে ওই এলাকার তিন ফসলি ধানি জমি থেকে ভেকু (মাটি কাটার যন্ত্র) দিয়ে অবাধে মাটি কেটে ট্যাক্টারের মাধ্যমে স্থানীয় বিভিন্ন ইটভাটায় সরবরাহ করে আসছিল। এতে একদিকে যেমন ফসলি জমি তার উর্বরতা হারাচ্ছে, অন্যদিকে ট্রাক্টর চলাচলের কারণে গ্রামীণ রাস্তাঘাটগুলোর মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছিল।
এ সময় এসিল্যান্ডের নির্দেশে গাদিশালের আঃ জাহির মিয়ার ধানি জমি থেকে মাটি কাটার একটি ভেকু আটক করা হয়। পরে ‘জমির মালিক জাহির মিয়াকে মাটি বিক্রি বন্ধ রেখে এবং ভেকু না সরিয়ে উপযুক্ত কারণ উল্লেখ করে উপজেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করার পর অনুমতি পাওয়া ছাড়া এ কাজের জবাবদিহি করে আসতে বলেন তিনি।
শেষে ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা আবুল কালাম চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে জানান, “ফসলি জমির মাটি কাটা সম্পূর্ণ বেআইনি। ধানি জমির ওপরের অংশ বা টপসয়েল কেটে নেওয়ায় জমিগুলো চিরতরে অনুর্বর হয়ে পড়ছে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। পরিবেশ ও কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং ফসলি জমির মাটি বিক্রি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।
দ.ক.সিআর.২৬