
মুন্সিগঞ্জের লৌহজং পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে সাজেদা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গতকাল ০৮ অক্টোবর ২০২৬খ্রি. বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চোখের যত্ন, রিডিং গ্লাস (Reading Glasses) এবং আরজিআইএল (RGIL) প্রোগ্রাম নিয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন লৌহজং পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রতিষ্ঠানপ্রধান জনাব এস এম ফেরদৌস হেলাল। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সাজেদা ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম অফিসার (RGIL) মো. খালিদ হাসান।
কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের চোখের যত্ন সম্পর্কে সচেতন করা, দৃষ্টিজনিত সমস্যা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চোখ পরীক্ষা ও সঠিক সেবা গ্রহণে উৎসাহিত করা। বিভিন্ন অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের চোখের যত্নের প্রয়োজনীয়তা, দৃষ্টিশক্তির সমস্যা এবং রিডিং গ্লাসের ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।
বিশেষভাবে রিডিং গ্লাসের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করা হয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকের কাছের জিনিস দেখতে অসুবিধা হতে পারে, যা প্রেসবায়োপিয়া নামে পরিচিত। এ ধরনের সমস্যা দেখা দিলে চোখ পরীক্ষা করে প্রয়োজন অনুযায়ী উপযুক্ত রিডিং গ্লাস ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সঠিক ধারণা ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এ ছাড়া RGIL Program-এর মাধ্যমে চোখের যত্নসংক্রান্ত সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় সেবা সম্পর্কে জানার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। শিক্ষার্থীরা এসব কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে চোখের যত্ন সম্পর্কে নতুন নতুন তথ্য জানতে পারে এবং অর্জিত জ্ঞান বাস্তব জীবনে কাজে লাগানোর বিষয়ে উৎসাহিত হয়।
আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের শুধু সচেতন করা নয়, বরং তাদের মাধ্যমে পরিবারের সদস্য ও সমাজের অন্যান্য মানুষের কাছেও চোখের যত্নের বার্তা পৌঁছে দেওয়া। কারণ, চোখের সুস্থতা রক্ষা এবং দৃষ্টিশক্তির সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের সম্মিলিত ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
সাজেদা ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চোখের যত্ন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অর্জিত জ্ঞান পরিবার ও সমাজে ছড়িয়ে দেওয়ার একটি ইতিবাচক প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থী থেকে পরিবার, পরিবার থেকে সমাজ সবার জন্য সুস্থ দৃষ্টির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য।
দ.ক.২৬