1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
চাটপাড়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসায় ছাত্রকে ছু/রি/কা/ঘা/ত হবিগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতির আয়নায় আত্মপরিচয়, ভালোবাসা ও বাংলাদেশের অনন্ত সৌন্দর্য আজমিরীগঞ্জে নেশাগ্রস্থ পুত্রের হাতে ক্যান্সার আক্রান্ত পিতা খুন ২৪ বছরের বন্দিজীবনের অবসান : নতুন জীবনের পথে কয়েস আহমেদ হবিগঞ্জের তরুণ আলোকচিত্রী মারুফের ‘বোটানিক্যাল সাইলেন্স’, প্রকৃতির সৌন্দর্যে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাজারে নজরদারি বাড়াতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা সৈয়দ মুশফিক আহমেদের সহযোগিতায় অপহৃত হাফেজ আব্দুল বাছির উদ্ধার ঘুষকাণ্ডে চুনারুঘাট থানার এএসআই অতনু বণিক ক্লোজড নিখোঁজ শিশুর অনিশ্চিৎ ভবিষ্যৎ: আইনি ও সামাজিক সুরক্ষা জরুরী

চুনারুঘাটে গাজীপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে হত্যা মামলার আসামিদের আইনি সুবিধা দিতে যোগসাজশের মাধ্যমে এক নারীর মৃত্যুকে “স্বাভাবিক মৃত্যু” উল্লেখ করে মৃত্যু সনদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় সুন্দরপুর গ্রামের মো. নূরুল হক বাদী হয়ে হবিগঞ্জের আমল গ্রহণকারী আদালত-০২-এ একটি সি.আর. মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ১৬৭/১৯৭/২১৮/১২০(খ)/৪৬৩/৪৬৪/৪৬৬/৩৪ ধারা এবং জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪-এর ২১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাদী নূরুল হকের মেয়ে মোছা. ফাহিমা খাতুনের সঙ্গে ৩ নম্বর আসামি সুজন মিয়ার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই ৪ থেকে ৯ নম্বর আসামির প্ররোচনায় ফাহিমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো বলে অভিযোগ করেন বাদী। তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া এবং স্বামীকে অন্যত্র বিয়ে করানোর হুমকি দেওয়ার কথাও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীর অভিযোগ, গত ৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ৩ থেকে ৯ নম্বর আসামি ফাহিমা খাতুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। খবর পেয়ে বাদী মেয়ের বাড়িতে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে চুনারুঘাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ দাফন করা হয়। এ ঘটনায় ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাদী আদালতে ৩ থেকে ৯ নম্বর আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৪৩/৩২৩/৩০২/২০১/১১৪/৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদীর আরও অভিযোগ, হত্যা মামলার বিষয়টি জানার পর গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. কুতুবুল ইসলাম ৩ থেকে ৯ নম্বর আসামির সঙ্গে যোগসাজশ করে ফাহিমা খাতুনের মৃত্যুর কারণ ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’ উল্লেখ করে একটি মৃত্যু সনদ প্রস্তুত ও প্রদান করেন। ওই সনদে চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও সিল রয়েছে বলেও মামলায় দাবি করা হয়েছে।

বাদীর দাবি, ফাহিমার মৃত্যু অস্বাভাবিক হলেও সরকারি নথিতে ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’ উল্লেখ করে সনদ দেওয়ার মাধ্যমে হত্যা মামলাটিকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

দ.ক.সিআর

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews