বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
শায়েস্তাগঞ্জে মাদকসহ আটক ২: মোবাইল কোর্টে এক বছরের কারাদণ্ড নবীগঞ্জে বাড়িতে ঢুকে লুটপাট, হত্যাচেষ্টা- থানা ও পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ হবিগঞ্জে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি রাত নামলেই সীমান্ত দিয়ে আহম্মদাবাদে ঢুকছে চোরাই গরুর পাল! দিনে উঠে আমুরোডের হাটে! বাহুবল উপজেলা ভূমি অফিসে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ: অফিস সহকারী রতনের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি বাহুবলে বহিষ্কৃত যুবদল নেতার চাঁদাবাজী: ক্ষোভে ফুঁসছেন ব্যবসায়ীরা হবিগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তির ফলাফলে নাম না থাকায় ক্ষোভ: অভিভাবক-শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ বিলীন হচ্ছে শতবর্ষের ছাতা মেরামতের পেশা বাহুবলে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি: শিক্ষিকা ছিনতাই, জনমনে তীব্র উদ্বেগ জাবেদ আলীকে জানতাম বিএনপি নেতা ও উন্নয়ন কমিটির সদস্য; সম্প্রতি করলেন মাদক বিরোধী সভাও। কিন্তু অনুসন্ধানে বেরিয়ে এলো- ৩টি মাদক মামলাসহ সীমান্তের এক গরু চোরাচালান মাফিয়া সে!

বাহুবল উপজেলা ভূমি অফিসে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ: অফিস সহকারী রতনের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

বাহুবল প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা ভূমি অফিসে সেবা নিতে এসে নানা ধরনের ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক সেবাপ্রার্থী। বিশেষ করে অফিসের প্রধান সহকারী রতন মনির বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, ভূমি সংক্রান্ত নামজারি (মিউটেশন), রেকর্ড সংশোধন, পর্চা উত্তোলনসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা পেতে গেলে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, নির্ধারিত অর্থ না দিলে ফাইল দীর্ঘদিন আটকে রাখা, অযথা জটিলতা সৃষ্টি করা এবং বিভিন্ন অজুহাতে সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সেবাপ্রার্থী অভিযোগ করেন, “সহজ কাজও অকারণে জটিল করে তোলা হয়। নির্ধারিত অর্থের বাইরে টাকা না দিলে ফাইলের অগ্রগতি হয় না। প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়।”

স্থানীয় সূত্রে আরও অভিযোগ করা হয়, বাহুবল ভূমি অফিসে যোগদানের পর থেকেই প্রধান সহকারী রতন মনি প্রভাব বিস্তার করে একটি অসাধু চক্রের মাধ্যমে বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন। সরকারি জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়ম এবং নামজারি প্রক্রিয়ায় জালিয়াতির অভিযোগও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে উত্থাপিত হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বপক্ষে স্বাধীনভাবে কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি।

এদিকে, সরকারি চাকরিজীবী হওয়া সত্ত্বেও রতন মনির বিলাসবহুল জীবনযাপন এবং অল্প সময়ে উল্লেখযোগ্য সম্পদের মালিক হওয়ার বিষয়টি নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সম্পদের উৎস যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।

স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীরা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য জেলা প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

তাদের দাবি, দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে অভিযোগগুলো যাচাই করা হোক এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

এ বিষয়ে প্রধান সহকারী রতন মনির বক্তব্য জানতে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাহার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, অভিযোগগুলোর বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized By BreakingNews