
আসাদ ঠাকুর, অমনিবাস: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সংরক্ষিত নারী আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক, হবিগঞ্জ জেলা নিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আক্তার।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ চত্বর থেকে রাজনীতি শুরু করা শাম্মি আক্তার রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ, দলীয় আনুগত্য, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং বলিষ্ঠ ভূমিকার কারণে তিনি সংরক্ষিত নারী আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছেন।
শাম্মী আক্তার শুধু হবিগঞ্জ জেলার নয়— সারা বাংলাদেশের গর্ব। দলের কঠিন সময়ে আন্দোলনের মাঠে, সংগ্রামের প্রতিটি ধাপে যিনি ছিলেন নির্ভীক, অক্লান্ত ও আপোষহীন। বিএনপির রাজনীতিতে এমন ত্যাগী, সৎ আর নিবেদিতপ্রাণ নেতা-নেত্রী কয়জন আছেন, সত্যিই ভাবায়।
তাছাড়া সতেরো বছর মাঠে-ঘাটে যে মানুষটি লড়াই করেছেন, ঝড়-ঝঞ্ঝার ভেতরেও যিনি রাজপথ ছাড়েননি। আন্দোলনের প্রতিটি কঠিন সময়ে সামনের সারিতে থাকা একজন নির্ভরতার নাম শামমী আক্তার। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়ে হামলা-মামলার শিকারও হয়েছেন।
তার স্বপ্ন ছিল—তরুণদের প্রতিনিধি হয়ে, তরুণদের আস্থা নিয়ে সংসদে কথা বলবে। সেই স্বপ্নের পেছনে ছিল ত্যাগ, ছিল নিরবচ্ছিন্ন উপস্থিতি, ছিল দীর্ঘ প্রতীক্ষা।
শাম্মী আক্তার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীদের প্রচারণায় গ্রাম-গঞ্জে নারীদের সঙ্গে উঠান বৈঠক ও গণসংযোগের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। স্থানীয়রা মনে করছেন, শাম্মী সাংসদ নির্বাচিত হলে হবিগঞ্জ জেলাসহ দেশের নারীদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন।
শাম্মী বলেছেন, “দলের সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছি, দুঃসময়ে প্রতিটি কর্মসূচি পালন করেছি। দলের জন্য নিবেদিত ছিলাম এবং কাজের মূল্যায়ন দল করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”
স্থানীয় নেতাকর্মীরা আশাবাদী, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেলে তিনি দেশের নারীর ক্ষমতায়নের শক্তিশালী প্রতীক হয়ে উঠবেন।
দ.ক.সিআর.২৬