
স্টাফ রিপোর্টার: আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে জনৈক বিমল শীলের বিরুদ্ধে পাওনা অর্থ আত্মসাৎ, মিথ্যা দাবি উত্থাপন ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন এক ব্যক্তি। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় করা এবং আইনগতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।
ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, বিমল শীলের কাছে তাঁর মোট পাওনা রয়েছে ৫৭ লাখ ৫ হাজার টাকা ব্যাংক মারফত এবং ১৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা নগদ, যা এখনো পরিশোধ করা হয়নি। অভিযোগে বলা হয়, প্রায় দুই বছর ধরে ওই অর্থ আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে বিমল শীল উল্টো তাঁর কাছেই টাকা পাওনা রয়েছে—এমন দাবি করে আসছেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, বিমল শীল কখনো ৩৩ লাখ টাকা, আবার কখনো ৫১ লাখ টাকা পাওনা থাকার কথা বলছেন। এসব দাবি পরস্পরবিরোধী ও বিভ্রান্তিকর বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালে প্রথমবার গণমাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে একটি পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়, যার মাধ্যমে তাঁকে জনসমক্ষে হেয় করার চেষ্টা করা হয়েছে। এরপর বিভিন্ন স্থানে তাঁর বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিমল শীল পরিকল্পিতভাবে অন্য ব্যক্তিদের ব্যবহার করে জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে তাঁর বাবার কাছ থেকেও অর্থ আদায় করেন। বিষয়টি গুরুতর অপরাধের শামিল বলে তিনি দাবি করেন।
এদিকে বর্তমানে বিমল শীল একটি অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। ওই মামলায় পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি দাবি করেন, উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো ভুক্তভোগী তাঁর কাছে সংরক্ষণের জন্য রেখেছিলেন। এ বক্তব্যের ভিত্তিতে ভুক্তভোগীকেও মামলার আসামি করা হয়।
তবে ভুক্তভোগী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাঁকে ফাঁসাতে পরিকল্পিতভাবে এসব অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাঁর দাবি, আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধ আড়াল করতেই এই ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। অন্যদিকে জামিন আবেদনে বিমল শীল পুলিশের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলে বলেন, তাকেও ফাঁসানো হয়েছে। তাঁর এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভুক্তভোগী প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
দ.ক.সিআর.২৬