1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মাধবপুরে গ্যাস লাইন বসাতে রাস্তা খুঁড়ে বেহাল, সংস্কারে নেই উদ্যোগ! ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীসহ পথচারীরা ‎ চুনারুঘাটে গাজীপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা চুনারুঘাটে যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার বিদেশে কর্মী পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী চুনারুঘাটে ইয়াবা ও চোলাইমদসহ গ্রেপ্তার ১ চুনারুঘাটে গ্রেপ্তার দুই আওয়ামী লীগ নেতাকে বিধি মোতাবেক আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে দৈনিক কালনেত্র-এর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আল-আমীন সাঈফী: বিভিন্ন মহলের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা চুনারুঘাটে পুলিশের অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত ৩ আসামি গ্রেফতার ব্যাংক-বিকাশ প্রতারণা: হবিগঞ্জে ডিবির অভিযানে ৩ জন গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ভূমধ্যসাগরে ১০ জনের মৃত্যু, প্রাণে বাঁচলেন ২৯ বাংলাদেশি

চুনারুঘাটে গাজীপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে হত্যা মামলার আসামিদের আইনি সুবিধা দিতে যোগসাজশের মাধ্যমে এক নারীর মৃত্যুকে “স্বাভাবিক মৃত্যু” উল্লেখ করে মৃত্যু সনদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় সুন্দরপুর গ্রামের মো. নূরুল হক বাদী হয়ে হবিগঞ্জের আমল গ্রহণকারী আদালত-০২-এ একটি সি.আর. মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ১৬৭/১৯৭/২১৮/১২০(খ)/৪৬৩/৪৬৪/৪৬৬/৩৪ ধারা এবং জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪-এর ২১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাদী নূরুল হকের মেয়ে মোছা. ফাহিমা খাতুনের সঙ্গে ৩ নম্বর আসামি সুজন মিয়ার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই ৪ থেকে ৯ নম্বর আসামির প্ররোচনায় ফাহিমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো বলে অভিযোগ করেন বাদী। তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া এবং স্বামীকে অন্যত্র বিয়ে করানোর হুমকি দেওয়ার কথাও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীর অভিযোগ, গত ৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ৩ থেকে ৯ নম্বর আসামি ফাহিমা খাতুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। খবর পেয়ে বাদী মেয়ের বাড়িতে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে চুনারুঘাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ দাফন করা হয়। এ ঘটনায় ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাদী আদালতে ৩ থেকে ৯ নম্বর আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৪৩/৩২৩/৩০২/২০১/১১৪/৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদীর আরও অভিযোগ, হত্যা মামলার বিষয়টি জানার পর গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. কুতুবুল ইসলাম ৩ থেকে ৯ নম্বর আসামির সঙ্গে যোগসাজশ করে ফাহিমা খাতুনের মৃত্যুর কারণ ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’ উল্লেখ করে একটি মৃত্যু সনদ প্রস্তুত ও প্রদান করেন। ওই সনদে চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও সিল রয়েছে বলেও মামলায় দাবি করা হয়েছে।

বাদীর দাবি, ফাহিমার মৃত্যু অস্বাভাবিক হলেও সরকারি নথিতে ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’ উল্লেখ করে সনদ দেওয়ার মাধ্যমে হত্যা মামলাটিকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

দ.ক.সিআর

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews