
কালনেত্র প্রতিবেদক: চুনারুঘাট উপজেলার দ্বিমাগুরউন্ডা গ্রামের মৃত আব্দুল মালেক এর ওয়ারিশান- ১) আব্দুল হালিম রায়হান ও ২) তারেক মিয়া সিভিল সহকারী জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন, যা ২০২৬ ইং সনের ৭৯নং স্বত্ব মোকদ্দমা হিসাবে উল্লেখিত।
বিবাদীরা হলেন- *মৃত সফাত উল্লার ওয়ারিশান- ১) কাজল মিয়া ২) স্বপন মিয়া। *মৃত নিম্বর উল্লার ওয়ারিশান- ৩) আইন উল্লা ৪) ফুল মিয়া ৫) সফিক মিয়া ৬) সুহিন মিয়া। *মৃত আলতাব উল্লার ওয়ারিশান- ৭) আহাদ মিয়া ৮) তাহির মিয়া ও ৯) রাশিদ মিয়া, সর্ব সাং- দ্বিমাগুরউন্ডা, চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ।
চুনারুঘাট উপজেলার রহমতপুর মৌজার নালিশা তপশীল বর্ণিত ভূমির বাদীগণের স্বত্ব ঘোষণা হওয়ার দাবী থাকার পরও এবং তপশীল বর্ণিত ভূমিতে ভোগ দখলকার থাকাবস্থায় বিবাদীগণ তাহাদের বাটোয়ারা অংশ জোরে বলে দখল করার পায়তারা করিয়া বিভিন্ন লোকের নিকট তাদের ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্য অংশ বিক্রির পায়তারা করিতেছে।
কিন্তু আইন মোতাবেক ওয়ারিশানের স্বত্ব বা অংশ না দিয়ে পৈতৃক বা যৌথ সম্পত্তি গোপনে বিক্রি করে দেওয়া আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের প্রতারণার শিকার হলে ভুক্তভোগী ওয়ারিশরা দ্রুত আদালতে বণ্টন মামলা এবং জালিয়াতির ফৌজদারি মামলা দায়ের করে বিক্রি হওয়া জমির দলিল বাতিল ও নিজেদের অধিকার ফিরে পেতে পারেন।
কেননা, আইন অনুযায়ী, কোনো ওয়ারিশ পুরো সম্পত্তির মালিক নন। তিনি কেবল তার নিজের অংশের মালিকানা বিক্রি করতে পারেন, অন্য কোনো ওয়ারিশের অংশ বিক্রি করার অধিকার তার নেই।
এক্ষেত্রে স্থানীয় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যোগাযোগ করে বাদী নোটিশ দিয়ে রেখেছেন, যাতে ওই জমির আর কোনো বেচাকেনা বা নামজারি না হতে পারে।
এছাড়াও সম্পত্তি ফিরে পেতে ও ক্রেতার দলিল বাতিল করতে বিজ্ঞ দেওয়ানী আদালতে বণ্টন ও স্বত্ব সাব্যস্তের মামলা করা যায়। পাশাপাশি প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে দলিল তৈরির কারণে ফৌজদারি আদালতে মামলা করা যায়।
তাছাড়া বৈধ ওয়ারিশানদের বঞ্চিত করে জমি কেনা ক্রেতার জন্যও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বণ্টননামা ছাড়া ওয়ারিশান সম্পত্তি কিনলে ক্রেতার নামজারি বাতিল হয়ে যেতে পারে এবং পরবর্তীতে তাদের দখল হারানোর আশঙ্কা থাকে।
এমন পরিস্থিতিতে বিবাদীগণকে বাদীর স্বত্ত বা সমপরিমাণ অর্থ বুঝিয়ে দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন, মৃত আব্দুল মালেকের ওয়ারিশান রায়হান ও তারেক মিয়া।
দ.ক.সিআর.২৬