1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বিশ্ব বাস্তবতায় জাতিসংঘের ঘোষিত ছয় অগ্রাধিকার: নিকোলাস বিশ্বাস শরতের ভোরে শীতের আমেজ সিলেট প্রেস ক্লাবে শরতের কবিতা পাঠের আসর চা জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী “কারাম উৎসব” সম্পন্ন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুসলিম উদ্দিনের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ হবিগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও স্কলারশিপ প্রদান করেছে উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাব বাহুবলে ঘুষ ছাড়া মেলে না এনআইডি সেবা! আহম্মদাবাদে চেয়ারম্যান প্রার্থী সাইফুল ইসলামের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত চুনারুঘাটে ইশা ব্লাড ব্যাংকের আয়োজনে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন আজমিরীগঞ্জে দেড় মাস ধরে নেই ইউএনও : ব্যাহত প্রশাসনিক কার্যক্রম-ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

চুনারুঘাট-মাধবপুর মানুষের স্বনির্ভরতার নাম শিল্পপতি সৈয়দ শাফকাত

Reporter Name
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬

 

চুনারুঘাট প্রতিনিধি: দেশের অন্যতম শিল্পপ্রতিষ্ঠান সায়হাম গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সায়হাম নিট কম্পোজিট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ শাফকাত আহমেদ শুধু একজন সফল শিল্পপতিই নন, তিনি সমাজ উন্নয়ন ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি হবিগঞ্জের মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে চা-বাগান এলাকার শ্রমিক ও তাদের পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন।

বিদেশে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করার পর পিতা সংসদ সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সলের পরামর্শে তিনি দেশে ফিরে ব্যবসা পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি গত প্রায় ২৫ বছর ধরে তিনি বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। তাঁর উদ্যোগে হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং বহু পরিবার স্বনির্ভর হওয়ার সুযোগ পেয়েছে।
একসময় চা-বাগান এলাকার শ্রমিকদের শিল্প-কারখানায় চাকরির সুযোগ ছিল খুবই সীমিত। সামাজিক ও অর্থনৈতিক নানা কারণে তারা মূলধারার কর্মসংস্থান থেকে পিছিয়ে ছিলেন। এই বাস্তবতা পরিবর্তনে সৈয়দ শাফকাত আহমেদ সরাসরি চা-বাগানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন এবং যোগ্য শ্রমিকদের শিল্প-কারখানায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন। ফলে বহু পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং নতুন প্রজন্মের জন্য উন্মুক্ত হয়েছে উন্নত জীবনের সম্ভাবনা।
শুধু কর্মসংস্থান নয়, চা-বাগান এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নেও তিনি নিয়েছেন নানা উদ্যোগ। নিজস্ব অর্থায়নে ২৩টি চা-বাগানে সাবমার্সিবল টিউবওয়েল স্থাপন করে নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করেছেন। বিভিন্ন বাগানে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণে সহায়তা দিয়েছেন। বর্ষাকালে শ্রমিকদের কষ্ট লাঘবে তাদের মাঝে রেইনকোট বিতরণের উদ্যোগও গ্রহণ করেছেন। এছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে নিয়মিত সহযোগিতা প্রদান করছেন।

চা-বাগানের শ্রমিকরা জানান, অতীতে অনেকেই তাদের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে খুব কম মানুষই আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন। সৈয়দ শাফকাত আহমেদ ব্যতিক্রম। তাঁর প্রচেষ্টায় অনেক পরিবারের সন্তান এখন বিভিন্ন শিল্প-কারখানায় কাজ করে স্বাবলম্বী হয়েছে। এতে পরিবারগুলোর আর্থিক সংকট অনেকটাই দূর হয়েছে।

লস্করপুর ভ্যালির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পান বলেন, আগে সরকারি বিভিন্ন অনুদান ও সহায়তা বণ্টনের ক্ষেত্রে নানা অনিয়মের অভিযোগ ছিল। অনেক শ্রমিক প্রাপ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতেন। বর্তমানে সৈয়দ শাফকাত আহমেদের প্রচেষ্টায় অধিকাংশ শ্রমিক সরকারি সহায়তার আওতায় এসেছেন। গরু-ছাগল বিতরণ, নগদ অর্থ সহায়তা ও শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তিসহ বিভিন্ন সুবিধা সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

স্থানীয়দের মতে, একজন শিল্পপতি হিসেবে ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সৈয়দ শাফকাত আহমেদের অবদান প্রশংসনীয়। মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও উন্নয়ন ভাবনার সমন্বয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন স্বনির্ভরতার এক অনুপ্রেরণার নাম। তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতেও মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews