
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: জাতীয় সংসদের হুইপ মো. জি কে গউছ বলেছেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হবে। স্কুলের ভালো ফল নিশ্চিতে শিক্ষকদের আরো যত্নবান হতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনীতির বাইরে রাখতে হবে। শিক্ষকদের রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকবে কিন্তু তাদের কাছে দলীয় লেজুরভিত্তিক রাজনীতি কোনোভাবেই কাম্য নয়।
গতকাল বুধবার সকালে হবিগঞ্জ শহরের যোগেন্দ্র কিশোর ও হরেন্দ্র কিশোর (জে কে এন্ড এইচ কে) হাইস্কুল এন্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন। স্কুল মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্কুলের শিক্ষক, বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ স্থানীয় শায়েস্তানগর ও মোহনপুরের পঞ্চায়েতের সর্দারসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করে দেশের শিক্ষাব্যবস্থার চরম ক্ষতিসাধন করেছে। আগামীতে দেশের ভালো স্কুলগুলোতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা যাতে পড়ালেখার সুযোগ পায় সরকার সেজন্য ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাবীদের নির্বাচিত করার পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।
জে কে এন্ড এইচ কে হাইস্কুল এন্ড কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হকের সভাপতিত্বে ও স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মিছবাহ উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব এম জি মাওলা। বক্তব্য দেন প্রধান শিক্ষক শাহ মো. আবুল হাসান, শতবর্ষ উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব সাবেক কাউন্সিলর সফিকুর রহমান সিতু, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. আব্দুস শহিদ মামুন, শায়েস্তানগরের পঞ্চায়েত সর্দার সহিদুর রহমান লাল, মোহনপুরের পঞ্চায়েত সর্দার মঈনুল ইসলাম, সাবেক শিক্ষার্থী ও অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার নূরুল ইসলাম, এম জি মোহিত, শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
দ.ক.সিআর.২৬