1. live@kaalnetro.com : Bertemu : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:১৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
এম মখলিসুর রহমান: বিতর্ক ও বৈচিত্র্যময় কর্মকাণ্ড শ্রীমঙ্গল থেকে যুবক নিখোঁজ, থানায় ডায়েরি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাৎ অভিযোগে ট্রাভেলস সলিউশন এর মালিকসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা রাজার বাজারে অনুমতি ছাড়া এলজিইডি’র রাস্তা কেটে ড্রেন নির্মাণ সবজি বাজারে স্বস্তি, বেড়েছে পেঁয়াজ-কাঁচা মরিচের দাম, বাজারে গ্যাসের সংকট, দাম নিয়ে অসন্তোষ হবিগঞ্জে খোয়াই থিয়েটারের শোকসভা অনুষ্ঠিত গৃহবধূ থেকে জননেত্রী: নির্বাচনী প্রচারণায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন সিমি কিবরিয়ার সিলেট-১ আসনে আব্দুল মুক্তাদির নির্বাচিত: অভিনন্দন জানালেন জহিরুল হক (হিরু) ধর্মীয় ও সামাজিক কাজে বিল্লাল মিয়ার সহযোগিতা রমজান আসলে আরও বাড়ে

এম মখলিসুর রহমান: বিতর্ক ও বৈচিত্র্যময় কর্মকাণ্ড

দৈনিক কালনেত্র
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

 

মিজান কাদরী, হবিগঞ্জ: এম মখলিসুর রহমান মূলত তার অদ্ভুত সব উপহার এবং বারবার রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের জন্য আলোচনায় থাকেন। তার কর্মকাণ্ডের প্রধান কিছু দিক হলো:

​১. বিচিত্র উপহার ও নামকরণ
​তিনি বিভিন্ন সময়ে আলোচিত ব্যক্তিদের অদ্ভুত সব উপহার দিয়ে ভাইরাল হতে চান।

​শেখ হাসিনাকে বড় চিতল মাছ উপহার দিয়ে ‘চিতল মুখলিস’ নাম অর্জন করেছিলেন।
​ব্যারিস্টার সুমনকে আস্ত একটি গরু উপহার দিয়েছিলেন।
​হিরো আলমকে একটি গাড়ি উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে বেশ আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছিলেন।

​২. প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় ও বিতর্ক
​তিনি নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানের ‘প্রিন্সিপাল’ হিসেবে পরিচয় দেন, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি রয়েছে। অনেকেই দাবি করেন, কোনো সাধারণ বেসরকারি কোচিং বা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হয়েও তিনি ‘প্রিন্সিপাল’ পদবিটি ব্যবহার করেন যা নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।

​৩. ধর্মীয় অঙ্গনে বিশৃঙ্খলা
​তার সবচেয়ে বড় বিতর্কের জায়গা হলো ওয়াজ মাহফিল। কখনো কওমি মাদ্রাসার মাহফিলে, আবার কখনো সুন্নি বা পীরপন্থীদের মাহফিলে গিয়ে পরস্পরবিরোধী এবং বিতর্কিত বক্তব্য দেন। এই ‘দ্বিমুখী’ আচরণের কারণে প্রকৃত আলেম সমাজ তাকে বরাবরই সন্দেহের চোখে দেখে আসছে।

​৪. রাজনৈতিক রূপান্তর ও ক্ষমা প্রার্থনা
​তিনি কখনো বিএনপি, কখনো জামায়াত আবার কখনো আওয়ামী লীগের গুণগান গেয়েছেন। বিশেষ করে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার পর জনরোষের মুখে পড়েন এবং পরবর্তীতে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হন।

সম্প্রতি তার উসকানিমূলক এবং ধর্মীয় বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগে দেশের মূলধারার সুন্নি এবং কওমি—উভয় পক্ষের আলেমরাই তাকে বয়কট করেছেন।

​কারণ: তিনি ধর্মীয় মঞ্চকে ব্যক্তিগত স্বার্থ এবং ভাইরাল হওয়ার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

​অনেক সুন্নি সংগঠন তাকে তাদের মাহফিলে আমন্ত্রণ না জানানোর জন্য সাধারণ মানুষকে সতর্ক করেছে এবং তাকে ‘ভণ্ড’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিতি পাওয়ার নেশা এবং আদর্শহীন রাজনীতির কারণে তিনি বর্তমানে সাধারণ মানুষ এবং আলেম সমাজ—উভয় পক্ষের কাছেই গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছেন।

লেখক: মিজান কাদরী
সংগীত শিল্পী, সংবাদ কর্মী, উপস্থাপক ও আইটি এক্সপার্ট

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট