
আসাদ ঠাকুর, অমনিবাস: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই সরগরম হয়ে উঠছে হবিগঞ্জ জেলার রাজনৈতিক অঙ্গন। জেলা ও উপজেলা সদর, হাট-বাজার, চা-বাগান এলাকা—সবখানেই প্রার্থীদের পদচারণা, গণসংযোগ, পোস্টার-ব্যানার আর পথসভার জোয়ার। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও চলছে প্রচারণামূলক জনসভা ও কর্মী সমাবেশ।
গত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি পিছিয়ে থাকলেও এবার ভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে হবিগঞ্জের সব আসনেই জয় পাওয়ার স্বপ্ন দেখছে দলটি। নেতাকর্মীদের আত্মবিশ্বাস—“এবারের নির্বাচনে জনতা বিএনপির পক্ষে”, যদিও চার আসনেই রয়েছে তীব্র বহুমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) দুটি পৌরসভা ও ২৩ ইউনিয়নের এ আসনটি চা-শ্রমিক ভোটারদের কারণে সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। এবার বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শিল্পপতি সৈয়দ মো. ফয়সল মাঠে নেমে প্রচারণা জোরদার করেছেন।
এ ছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন— সুন্নী জোটের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন তাহেরী ও খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের।
এ আসনে চা-শ্রমিক ভোটারদের মতামত, “আমাদের জীবন-মান উন্নয়ন সবচেয়ে বড় বিষয়। যে খেয়াল রাখবে, আমরা তাকেই ভোট দেব।”
সব মিলিয়ে বহুমাত্রিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, পাল্টাপাল্টি প্রস্তুতি, নতুন প্রার্থীর আগমন এবং জনগণের ভিন্নমুখী প্রত্যাশা— এবারের হবিগঞ্জ-৪ আসনে তৈরি করেছে বিশেষ উত্তাপ।
জনমত বলছে—নির্বাচন হবে অতি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের।
বিএনপি জয় দেখতে চাইলেও শেষ সিদ্ধান্ত দেবে ভোটাররা।
দ.ক.সিআর.২৬