1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
কর্মসংস্থান প্রকল্পের আওতায় দরিদ্র মরম আলীর পাশে “আলোর অঙ্গীকার” প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় উপকেন্দ্র করা যাবে না চুনারুঘাটে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম: থানায় অভিযোগ; বহিস্কার ছাত্রদল নেতা কামরুল সফল উদ্যোক্তা চুনারুঘাটের ইমরান: সোগান মন্ত্রী তেল রপ্তানি করে আয় করছেন বৈদেশী মুদ্রা কাদাপানিতে বন্দিজীবন, চুনারুঘাটে চার গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ দেখার কেউ নেই! হবিগঞ্জে মধুমতি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান: ভুয়া চিকিৎসক আটক চুনারুঘাটে ইনডোর স্পোর্টসের নতুন যুগের সূচনায় ‘Gamezone Chunarughat’ দীর্ঘ ছুটি শেষে স্কুল-মাদ্রাসা খুলছে আজ তোমারে নো ভালা লাগছে আমার দুই নয়নে’ || শিল্প-সাহিত্য চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির চার পাঠ্যবই অনুমোদন

আমাদের সম্প্রীতি ও পৌষ সংক্রান্তি— হৃদ্যতার প্রকাশ

Reporter Name
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬

 

বাঙ্গালী বিল্লাল, চুনারুঘাট : যতটুকু জানি— পৌষ সংক্রান্তি বা মকর সংক্রান্তি হলো ভারত উপমহাদেশীয় সংস্কৃতিতে উদযাপিত শীতকালীন ফসল উৎসব। এটি বাংলা পৌষ মাসের শেষের দিন, বর্ষপঞ্জীর প্রতি বছর ১৪ জানুয়ারি উদযাপিত হয়। এদিন হিন্দু বাঙালিরা পিঠে-পুলি খাওয়া, ঘুড়ি উড়ানো, পটকা ফাটানো ও ফানুস উড়িয়ে উৎসবের পালন করেন, যেমনটা আমাদের গ্রামে দেখে আসছি—

আমাদের বাড়িটা উত্তর-দক্ষিণে ১৪ জন বাপ-চাচাদের বসবাস। এখন আমাদের ভাই-ভাতিজাসহ এই প্রজন্মের বংশধর শতকের উপর।

আমাদের বাড়ির দক্ষিণ পাশে এক টুকরো ফসলি জমি,, তার পাশে হিন্দু বাড়ির বড় একটা পুকুর আর পুকুরের পর থেকে আমাদের হিন্দু কাকা-দাদাদের বসবাস!! যদিও তাদের গ্রাম-পঞ্চায়েত আলাদা তারপরও তাদের সাথে আমাদের ভালো একটা সু-সম্পর্ক চলমান।

আমাদের বাড়ির দক্ষিণে যে ফসলী জমি আছে সেখানে পৌষ সংক্রান্তিতে তারা হরিলুট দিতো (এখন দেয় কিনা জানি না)!! আমরা আমাদের বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে হরিলুট দেখতাম,, মাঝে মাঝে তাদের সাথে গিয়ে হরিলুটে শামিল হয়ে ফল-মুল,বাতাসা নিয়ে আসতাম ও আনন্দের সাথে খেতাম।

হরিলুট শেষ করে তারা আমাদের বাড়ির প্রত্যেকটা ঘরে ঘরে ফল-মুল ও বাতাসা পাঠাতেন আর আমাদের মা-চাচিরা তা স্বাদরে গ্রহণ করতেন।

এখনো তাদের বিয়ে শাদি বা যেকোন অনুষ্ঠানে আমরা দাওয়াত পাই। আমরাও প্রায় আচার অনুষ্ঠানে তাদেরকে স্মরণ করি। কাকা, দাদারা বাড়ির রান্না ঘরে বসে আপ্যায়িত হতেন। মা-চাচিদের সাথে বসে চা-পান গ্রহন করতেন।

এখনো আমরা বড়দেরকে বাপ চাচার জ্ঞানে সম্মান করি। তাদের সন্তানরাও আমাদেরকে শ্রেণীমত মূল্যায়ন, সম্মান, কোশলাদি বিনিময় করেন।

এই ভাবেই চলছে সম্প্রদায় ভিন্ন হলেও আমাদের হৃদ্যতার সম্প্রীতি!

দ.ক.সিআর.২৫

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews