Skip to content
-
Subscribe to our newsletter & never miss our best posts. Subscribe Now!
  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
দৈনিক কালনেত্র দৈনিক কালনেত্র

প্রান্তরের প্রাথমিকতা পেরিয়ে

দৈনিক কালনেত্র দৈনিক কালনেত্র

প্রান্তরের প্রাথমিকতা পেরিয়ে

  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • রংপুর
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
    • ফিচার
    • খাদ্য ও পুষ্টি
    • সম্পর্ক
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • রংপুর
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
    • ফিচার
    • খাদ্য ও পুষ্টি
    • সম্পর্ক
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
Subscribe
Close

Search

অপরাধ

ধর্ষণ ; এই কু-কর্মের স্বাধীনতার জন্যই কি আজকের এই বাংলাদেশ!

By কালনেত্র
মার্চ ১৩, ২০২৫ 3 Min Read
০

➖

শেখ জাহাঙ্গীর আলম

আমাদের রক্ত, অশ্রু, অর্থ, আত্মত্যাগ দিয়ে এমনকিছু লোকেরা ক্ষমতায় আসে বারবার যে জালেম পরিবর্তন হলেও জুলুম ঠিকই রয়ে যায়। কেউ দেশপ্রেম, কেউ জাতীয়তাবাদ ও কেউ ইসলামের আবেগকে কাজে লাগিয়ে পদ-পদবি পায়। আর কিছুলোক থাকে জালেমের নেতৃত্বে মিথ্যা ইসলাম কায়েমের স্বপ্ন দেখায়।

অথচ প্রত্যেক নবীর দাওয়াহ ছিল প্রথমে জালেম, শির্কের বিরুদ্ধে ও তাওহীদের পথে। যে জাতি আজও তাওহীদ বুঝেনি, জালেম ও তাগুতকে নেতা মানে। তাদের সামনে সুস্পষ্ট ইসলাম না তুলে ধরলে – ইসলামী রাষ্ট্র নয় বরং ফেতনার রাষ্ট্রই প্রতিষ্ঠা হবে – কিছু লেবাসধারীরা ক্ষমতা পাবে শুধু। মসজিদ, মাদ্রাসায় ইসলাম ঠিকই থাকবে কিন্তু রাষ্ট্রে সুদ, জেনা, ব্যভিচার, ধর্ষন ঠিকই থাকবে।

যেদেশে ২ বছরের নিষ্পাপ বাচ্চা ধর্ষিত হলে জাতি নিরব থাকে, আর নিজের প্রিয় আলেম, নেতার বিরোধিতা করলে জ্বালাময়ী বক্তব্য দেওয়া হয় ও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এই জাতি দ্বারা কি ইসলাম প্রতিষ্ঠা হবে?

পত্রিকায় ও মিডিয়ায় সর্বত্রই শুধু ধর্ষণের ঘটনা। আজ এদেশে ইংরেজ, পাকিস্তানিরা কেউই নেই তবুও কোলের শিশুও নিরাপদ নয়। এর প্রকৃত কারণ হল এদেশে ইসলামী বিধান ও শাসনব্যবস্থা নেই।

রাসুলের (সা:) যুগে এক মুসলিম রমনী মদীনায় বনু কাইনুকার বাজারে গেলে এক ইহুদি দোকানদারের কুটকৌশলের কারণে তার কাপড় খুলে যায় এবং উপস্হিত সবাই তা নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করে। সেই মুসলিম মহিলা চিৎকার করলে এক মুসলিম তা দেখে দোকানদারকে হত্যা করে ফলে ইহুদিরা ঐ মুসলিমকে হত্যা করে। ফলে মুসলিম ও ইহুদিরা পরস্পর যুদ্ধে মুখোমুখি হয়। ইহুদিদের আগ্রাসী আচরনের ফলে স্বয়ং রাসুল (সা:) এসে তাদেরকে পনের দিনের অবরোধ দেয় পরে তাদেরকে মদীনা হতে বের করে দেওয়া হয়। (আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া)

তারিক বিন জিয়াদ- স্পেনের রাজা রডারিক, সে জুলিয়ান নামক এক খ্রিষ্টান ব্যক্তির কন্যাকে ধর্ষণ করে। জুলিয়ান মুসলিমদের গভর্নর মুসাইব বিন নুসাইরের কাছে যান, প্রথমে ধর্ষণের কথা গোপন রেখে বিভিন্ন লোভ দেখিয়ে স্পেন আক্রমণ করতে বলেন। তাতে রাজি না হলে তিনি নিজ মেয়ের নির্যাতনের কথা বলে কেঁদে ফেলেন। এরপর মুসাইব তার সেনাপতি তারিক বিন জিয়াদকে স্পেন অভিযানে পাঠান। তারিক মোট ১২০০০ সৈন্য নিয়ে রডারিকের ১ লক্ষ সৈন্যের মোকাবিলায় নামলেন।

তারিক বিন জিয়াদ তার সমস্ত জাহাজ পুড়িয়ে ফেলেন যেন তার সৈন্যরা ফিরে যেতে না পারে। এরপর তারিক বক্তব্য দেন- “হে আমার সৈন্যদল, কোথায় পালাবে তোমরা? তোমাদের পিছে সাগর, সামনে শত্রু। যদি তোমরা মৃত্যুকে তুচ্ছ করে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড় তাহলে বিজয় সুনিশ্চিত। ভেবোনা আমি তোমাদের বিপদের মুখে রেখে পালিয়ে যাব। আমি সবার সামনে থাকবো আমার বাচার সম্ভাবনা অতি ক্ষীন।” তারিক বিন জিয়াদের নেতৃত্বে মুসলিমরা স্পেন বিজয় করে এবং ৭০০ বছর শাসন করে। পূর্বের মুসলিমরা ইসলাম প্রতিষ্ঠা ও বিধর্মী নারীদের বিচার প্রতিষ্ঠার জন্যও শহীদ হতেন আর এখন এদেশে মুসলিম ভাইদের হাতে বোনেরা নির্যাতিত হচ্ছে। যে সমাজে কন্যাশিশুকে জীবন্ত পুতে পেলত, রাসুলের (সা:) দ্বীনের দাওয়াতের ফলে সেই সমাজের সাহাবীরা নারীর ইজ্জত রক্ষার্থে জীবন বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত ছিলেন। স্বয়ং রাসুল (সা:) যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন যখন তার বয়স ৫৫ এর উপরে। সাহাবীদের যুগে, তারিক বিন জিয়াদ, সালাউদ্দিন আইয়ুবীদের সময় মুসলিমদের সংখ্যা কম ছিল তবু তারা বিজয়ী ছিল কারণ তাদের ঈমান পরিপূর্ণ ছিল।

অথচ এখন মুসলিমের সংখ্যা বেশি অথচ কয়টা ধর্ষণের বিচার হয়? আর এদেশে লাখো টাকায় ওয়াজ করা বক্তা লাখো ভক্ত নিয়ে গর্ব করে অথচ কোলের শিশুও ধর্ষিত হয়। কয়জন ধর্ষকের বাড়ি ঘেরাও, শরীয়াভিওিক বিচার করতে পেরেছি আমরা ? স্বয়ং রাসুল (সা:), সাহাবীরা বয়স্ক অবস্হায় জেহাদ করেছেন। তারা অল্পই খেতেন ও অতি দারিদ্র্য জীবন কাটিয়েছেন। আর বর্তমানে প্রিয় বক্তা/নেতাদের দিকে তাকিয়ে দেখুন ওদের খাওয়া, বিলাসী পোষাক ফিটনেসবিহীন শরীর বলে দেয় ওরা জেহাদের নেতৃত্ব তো দূরে থাক দশমিনিট দৌড়ার ক্ষমতা নেই।

রাসুলুল্লাহ (সা) বলেন- “যে ব্যক্তি জেহাদ না করে বা জেহাদের ইচ্ছে পোষন না করে মারা গেল সেই মুনাফিক অবস্হায় মরল।” (মুসলিম, অধ্যায়-৩৩, আবু দাউদ- কিতাবুল জেহাদ অধ্যায়- হাদীস নং-২৫০২)।

আর ধর্ষন,ডাকাতি,ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে এলাকায়, পাড়ায় নিজেরাই ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলেন শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর না হয়ে।

দ.ক.সিআর.২৫

Author

কালনেত্র

Follow Me
Other Articles
Previous

জলমহাল দখল ও লুটপাটের অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়কের পদ স্থগিত

Next

চুনারুঘাটে পাগল পেঠানোর অভিযোগে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পালালেন তিন ভাই ও বাবা 

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক কালনেত্র