Skip to content
-
Subscribe to our newsletter & never miss our best posts. Subscribe Now!
  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
দৈনিক কালনেত্র

প্রান্তরের প্রাথমিকতা পেরিয়ে

দৈনিক কালনেত্র

প্রান্তরের প্রাথমিকতা পেরিয়ে

  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • রংপুর
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
    • ফিচার
    • খাদ্য ও পুষ্টি
    • সম্পর্ক
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • রংপুর
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
    • ফিচার
    • খাদ্য ও পুষ্টি
    • সম্পর্ক
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
Subscribe
Close

Search

সোশ্যাল মিডিয়া

গণমাধ্যমের কাজ গণমাধ্যমই করুক | মতামত 

By কালনেত্র
জুন ১৯, ২০২৬ 3 Min Read
০

মোঃ রোকনুজ্জামান শরীফ: গণমাধ্যম কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্র নয়; গণমাধ্যমের প্রধান দায়িত্ব হলো সত্য তুলে ধরা, জনস্বার্থ রক্ষা করা এবং রাষ্ট্র ও সমাজের ঘটনাপ্রবাহের নিরপেক্ষ সাক্ষী হয়ে থাকা। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণমাধ্যমকে বলা হয় রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। কারণ রাষ্ট্র পরিচালনা, প্রশাসনিক কার্যক্রম, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, সামাজিক পরিবর্তন এবং জনজীবনের নানা সংকট ও সম্ভাবনার খবর জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব মূলত গণমাধ্যমই পালন করে।

গণমাধ্যমের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার বিশ্বাসযোগ্যতা। মানুষ তখনই কোনো সংবাদকে গুরুত্ব দেয়, যখন তারা বিশ্বাস করে যে সংবাদটি সত্য, নিরপেক্ষ এবং তথ্যনির্ভর। তাই গণমাধ্যমের কাজ কখনো কারও পক্ষ নেওয়া নয়, বরং সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো। সত্য কখনো সরকারের পক্ষে যেতে পারে, কখনো বিরোধী দলের পক্ষে, আবার কখনো সাধারণ মানুষের পক্ষে। কিন্তু গণমাধ্যমের অবস্থান সবসময় সত্যের পাশে হওয়া উচিত।
রাষ্ট্রের প্রতিটি কর্মকাণ্ড ইতিহাসের অংশ হয়ে যায়। আজ যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, আগামী প্রজন্ম তা মূল্যায়ন করবে। সেই ইতিহাস সংরক্ষণের অন্যতম মাধ্যম হলো সংবাদমাধ্যম। একটি দুর্নীতি, একটি উন্নয়ন প্রকল্প, একটি সামাজিক আন্দোলন কিংবা কোনো মানবিক বিপর্যয়—সবকিছুর দলিল হয়ে থাকে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন। এই অর্থে গণমাধ্যম কেবল সংবাদ পরিবেশন করে না; এটি রাষ্ট্রের জীবন্ত স্মৃতিভাণ্ডার হিসেবেও কাজ করে।

যখন কোনো অন্যায়, অনিয়ম বা দুর্নীতির ঘটনা ঘটে, তখন গণমাধ্যমের দায়িত্ব তা অনুসন্ধান করে জনগণের সামনে তুলে ধরা। কারণ জনগণের জানার অধিকার রয়েছে। আবার কোনো ইতিবাচক উদ্যোগ, সফলতা বা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডও সমান গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করা প্রয়োজন। কেবল নেতিবাচক সংবাদ নয়, সমাজের সম্ভাবনা ও সাফল্যের গল্পও মানুষের সামনে তুলে ধরা গণমাধ্যমের দায়িত্বের অংশ।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা একটি সভ্য সমাজের অপরিহার্য শর্ত। তবে স্বাধীনতার সঙ্গে দায়িত্ববোধও থাকতে হবে। যাচাই-বাছাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশ, গুজব প্রচার কিংবা ব্যক্তিগত স্বার্থে সংবাদ পরিবেশন গণমাধ্যমের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে। একটি ভুল সংবাদ শুধু একজন ব্যক্তির ক্ষতি করে না, কখনো কখনো সমাজে বিভ্রান্তি ও অস্থিরতাও সৃষ্টি করতে পারে। তাই সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই করা সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি।
আজকের ডিজিটাল যুগে তথ্যের প্রবাহ অত্যন্ত দ্রুত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে যে কেউ মুহূর্তেই কোনো তথ্য ছড়িয়ে দিতে পারে। কিন্তু সব তথ্য সংবাদ নয়, আর সব সংবাদ সত্যও নয়। এই বাস্তবতায় পেশাদার গণমাধ্যমের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। কারণ যাচাইকৃত তথ্য, দায়িত্বশীল বিশ্লেষণ এবং প্রাসঙ্গিক উপস্থাপনার মাধ্যমে গণমাধ্যমই মানুষকে সঠিক তথ্যের পথ দেখাতে পারে।

গণমাধ্যমের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হলো জনগণ ও রাষ্ট্রের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করা। সাধারণ মানুষের সমস্যা, দাবি, প্রত্যাশা এবং কষ্টের কথা সরকারের কাছে পৌঁছে দেয় গণমাধ্যম। আবার সরকারের নীতি, পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত জনগণের কাছে ব্যাখ্যা করতেও গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে একটি কার্যকর যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, যা রাষ্ট্র পরিচালনাকে আরও জবাবদিহিমূলক করে তোলে।

একজন সাংবাদিক যখন মাঠে কাজ করেন, তখন তিনি কেবল একজন সংবাদকর্মী নন; তিনি সময়ের সাক্ষী। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, নির্বাচন, আন্দোলন, দুর্ঘটনা কিংবা কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার মুহূর্তগুলো তিনি লিপিবদ্ধ করেন। অনেক সময় ঝুঁকি নিয়ে, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি সত্য উদঘাটনের চেষ্টা করেন। এই প্রচেষ্টাই গণমাধ্যমকে একটি সম্মানজনক ও দায়িত্বশীল পেশায় পরিণত করেছে।
গণমাধ্যম যদি তার মূল দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত হয়, তাহলে সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পক্ষপাতদুষ্ট সংবাদ, অপতথ্য কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা মানুষের আস্থা নষ্ট করে। আর যখন মানুষের আস্থা হারিয়ে যায়, তখন গণমাধ্যম তার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হারায়। তাই গণমাধ্যমের জন্য নিরপেক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং নৈতিকতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

পরিশেষে বলা যায়, গণমাধ্যমের কাজ গণমাধ্যমকেই করতে হবে। এটি কোনো রাজনৈতিক শক্তির হাতিয়ার নয়, কোনো স্বার্থগোষ্ঠীর প্রচারমাধ্যমও নয়। গণমাধ্যম হবে সত্যের অনুসন্ধানী, জনগণের কণ্ঠস্বর এবং রাষ্ট্রের নিরপেক্ষ সাক্ষী। ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়ে, সমাজের প্রতিটি সংকটে এবং মানুষের প্রতিটি সংগ্রামে গণমাধ্যম যদি সততা ও সাহসের সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করে, তাহলে রাষ্ট্র আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক হয়ে উঠবে। কারণ সত্যকে ধারণ করে, সময়কে লিপিবদ্ধ করে এবং জনগণের কথা তুলে ধরার মধ্যেই গণমাধ্যমের প্রকৃত শক্তি ও মর্যাদা নিহিত।

লেখক: সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট

দ.ক.২৬

Author

কালনেত্র

Follow Me
Other Articles
Previous

বাহুবলে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান: মেশিন ধ্বংস ও অর্থদণ্ড

Next

মাদক প্রতিরোধে চুনারুঘাটে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক কালনেত্র