1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
কর্মসংস্থান প্রকল্পের আওতায় দরিদ্র মরম আলীর পাশে “আলোর অঙ্গীকার” প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় উপকেন্দ্র করা যাবে না চুনারুঘাটে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম: থানায় অভিযোগ; বহিস্কার ছাত্রদল নেতা কামরুল সফল উদ্যোক্তা চুনারুঘাটের ইমরান: সোগান মন্ত্রী তেল রপ্তানি করে আয় করছেন বৈদেশী মুদ্রা কাদাপানিতে বন্দিজীবন, চুনারুঘাটে চার গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ দেখার কেউ নেই! হবিগঞ্জে মধুমতি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান: ভুয়া চিকিৎসক আটক চুনারুঘাটে ইনডোর স্পোর্টসের নতুন যুগের সূচনায় ‘Gamezone Chunarughat’ দীর্ঘ ছুটি শেষে স্কুল-মাদ্রাসা খুলছে আজ তোমারে নো ভালা লাগছে আমার দুই নয়নে’ || শিল্প-সাহিত্য চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির চার পাঠ্যবই অনুমোদন

চুনারুঘাটে মৃত্যু সনদ নিয়ে মিথ্যা ও জালিয়াতির অভিযোগ

Reporter Name
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

 

আসাদ ঠাকুর: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান-মেম্বার ও সচিবের বিরুদ্ধে মিথ্যা মৃত্যুসনদ (ডেথ সার্টিফিকেট) প্রদানে বড় ধরনের দুর্নীতি বা জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে।

জানাযায়, গত ৫ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে রাত ৮ টার দিকে উপজেলার ইকরতলী গ্রামের পন্ডিত মিয়ার বসতগৃহ থেকে ফাহিমা আক্তার (২৫) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। তখন এটি হত্যা না আত্মহত্যা এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ফাহিমার বাবা সুন্দরপুর গ্রামের নুরুল হকের অভিযোগ ছিল, ফাহিমার স্বামী সুজন ও তার পরিবারের লোকজন তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছিল। এ নিয়ে নূরুল হক মিয়া পবিত্র কোরআন অবমাননার মামলায় পরোয়ানাভোক্ত আসামী কনটেন্ট ক্রিয়েটর মুক্তা ইব্রাহিমসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

তখন ফাহিমার স্বামী সুজনের পরকীয়া ও যৌতুক দাবি নিয়ে বহুবার ফাহিমাকে মারধর ও নানান ভাবে নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছিল। যা এলাকার মুরুব্বিয়ানদের জানা। এসব বিষয়ে বেশ কয়েক বার সালিশ বৈঠক হয়েছে। এবং সুজনের পরকীয়ার কথা এলাকাবাসীর মুখে পাওয়া গেছে। ঘটনার পরপরই ফাহিমার স্বামী সুজন গাঁ ঢাকা দিয়েছিলেন।

এছাড়া ঘটনার দিন চুনারুঘাট থানার এসআই আক্তার হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে যান। সুরতহাল শেষে লাশ চুনারুঘাট থানায় নিয়ে এসে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গেও পাঠানো হয়েছিল। তবে আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্ত এড়িয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এটিকে স্বাভাবিক মৃত্যু বলে প্রত্যায়ন করা হয়েছে, এমন ধারণা মৃতের বাবার। ​এই জালিয়াতির ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে যথাক্রমে গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী, ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল মালেক চৌধুরী (সম্ভ্রান্ত পরিবারের সৎ মানুষ হিসেবে খ্যাত) এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনাকে আইনি তোয়াক্কা না করে এভাবে ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’ দেখিয়ে সনদপত্র দেওয়ায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছেন, ময়নাতদন্ত ও পুলিশি ঝামেলা থেকে কাউকে বাঁচাতে বা মূল ঘটনা আড়াল করতেই এই জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।

​এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ফাহিমার বাবা সুন্দরপুর গ্রামের নুরুল হক মিয়া।

তবে সার্টিফিকেট প্রদান প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুল মালেক চৌধুরী জানান, এটা আমার ভুল হয়েছে, আমি ভুলটা শুদ্রানোর চেষ্টা করতেছি।

চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী জানান, এটা সংশোধনযোগ্য। সংশোধনের কাজ চলছে। হলে জানাবো, ইনশাআলাহ

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার গালিব চৌধুরী জানান, অভিযোগ পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews