Skip to content
-
Subscribe to our newsletter & never miss our best posts. Subscribe Now!
  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
দৈনিক কালনেত্র দৈনিক কালনেত্র

প্রান্তরের প্রাথমিকতা পেরিয়ে

দৈনিক কালনেত্র দৈনিক কালনেত্র

প্রান্তরের প্রাথমিকতা পেরিয়ে

  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • রংপুর
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
    • ফিচার
    • খাদ্য ও পুষ্টি
    • সম্পর্ক
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • রংপুর
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
    • ফিচার
    • খাদ্য ও পুষ্টি
    • সম্পর্ক
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
Subscribe
Close

Search

অপরাধ

লাখাইয়ে পাগলীর কোলে ৪ সন্তান, দায় নেয়নি কেউ

By কালনেত্র
মার্চ ১৯, ২০২৬ 2 Min Read
০

 

পারভেজ হাসান, লাখাই: বিবেকহীন একদল নরপশুর লালসার শিকার হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন লাখাইয়ের এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারী। তাজুন বেগম (৩৭) নামের এই নারী বর্তমানে চারটি নিষ্পাপ শিশু সন্তান নিয়ে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করছেন। অথচ এই শিশুদের পিতৃত্বের দায় নেয়নি কেউ। আধুনিক যুগে একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়েও মানুষরূপী কিছু বন্যপ্রাণীর এই নিষ্ঠুরতা হার মানিয়েছে মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে।

স্বামীহারা হওয়ার পর থেকেই নির্যাতনের শুরু— জানা যায়, পূর্ব বুল্লা গ্রামের আক্রম আলীর কন্যা তাজুন বেগম কয়েক বছর আগে স্বামী হারিয়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। স্বামীর সংসারে তাঁর দুই ছেলে সন্তান থাকলেও অসুস্থতার কারণে পিত্রালয়ে ফিরে আসার পর থেকে তাঁর জীবনের দুর্যোগ শুরু হয়। নিরাশ্রয় অবস্থায় বুল্লা বাজারে আশ্রয় নিলে সেখানেই স্থানীয় একদল পশুপ্রবৃত্তির লোকের লালসার শিকার হন তিনি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত কয়েক বছর ধরে বুল্লা বাজারে অবস্থানকালে ধারাবাহিকভাবে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এই নারী। এর ফলে একে একে ৪ টি সন্তান (১ ছেলে ও ৩ মেয়ে) জন্ম নেয়। বর্তমানে চারটি দুধের শিশু নিয়ে অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন তাজুন। জানা গেছে, ২০২২ সালে এই ঘটনায় আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করলেও অপরাধীদের দৌরাত্ম্য থামেনি। ২০২৩ সাল থেকে করাব ইউনিয়নের মনতৈল আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘরে তাঁকে রাখা হলেও সেখানেও তিনি নিরাপদ নন বলে অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, খোলা আকাশের নিচে বা অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে মশার কামড় আর ক্ষুধার সঙ্গে লড়াই করছে শিশুগুলো। বাজারের উচ্ছিষ্ট খেয়েই কোনোমতে প্রাণ বাঁচছে তাঁদের। তাজুন বেগমের ভাই উজ্জ্বল মিয়া (৩২) কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, আমরাও অত্যন্ত দরিদ্র, তাই বোনকে সাহায্য করতে পারছি না। আমার বোনকে যদি যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হতো, তবে সে সুস্থ হয়ে নিজের বাচ্চাদের মানুষ করতে পারত। আমরা চাই সরকার এই নিষ্পাপ শিশুদের এবং আমার বোনের দায়িত্ব নিক। একইসঙ্গে যারা আমার বোনের ওপর এই পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”

প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও সুশীল সমাজের ভূমিকা— এলাকাবাসীর দাবি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা এগিয়ে এলে তাজুনকে সুচিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলা সম্ভব। অবিলম্বে এই পরিবারটিকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া এবং দোষীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি।

দ.ক.সিআর.২৬

Author

কালনেত্র

Follow Me
Other Articles
Previous

চুনারুঘাটে সিএনজি শ্রমিকদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

Next

ঈদ কার্ডের আবেগ এখন স্মৃতিতে, দখল নিয়েছে ডিজিটাল শুভেচ্ছা

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক কালনেত্র