
কালনেত্র প্রতিবেদন▪️ সারাদেশে স্কুল-মাদ্রাসায় ষষ্ঠ-নবম শ্রেণিতে শুরু হয়েছে ষান্মাসিক সামষ্টিক মূল্যায়ন কার্যক্রম। গত ৩ জুলাই থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নতুন আঙ্গিকে এ মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে যখন কমবেশি সবাই উদ্বিগ্ন, তখন হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার শিক্ষকরা অনেকটাই নির্ভার। কারণ, তাঁদের আছেন একজন অভিজ্ঞ একাডেমিক সুপারভাইজার। যিনি সার্বক্ষণিক নতুন শিক্ষাক্রমের চ্যালেঞ্জগুলো অত্যন্ত দক্ষতার সাথে মোকাবেলা করেন।
প্রত্যেকটি ষান্মাসিক সামষ্টিক মূল্যায়নের আগের দিন রাতে প্রতিটি বিষয়ের জন্য গ্রুপভিত্তিক WhatsApp মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয় ভার্চুয়াল মিটিং। এতে উপজেলার প্রতিটি স্কুল-মাদ্রাসার বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকগণ অংশগ্রহণ করেন। ফলে শেয়ারিংয়ের কারণে সবার দুর্বলতাটুকু কেটে যায়। এছাড়া নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অন্তত ১৪টি Whatsapp গ্রুপ চালু আছে। এগুলো হলো- কারিকুলাম মাস্টার ট্রেইনার গ্রুপ, মেন্টর গ্রুপ, বিষষভিত্তিক ১১টি গ্রুপ, প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিয়ে গ্রুপ। ওই গ্রুপগুলো রুটিন মাফিক ভার্চুয়াল মিটিং করে থাকে। উপজেলার প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেনো একই ফরম্যাটে শিখনকালীন মূল্যায়ন করে রেকর্ড সংরক্ষণ করতে পারে এজন্য বছরের শুরুতে অনুষ্ঠিত হয় ‘ফেইস টু ফেইস’ মিটিং। এছাড়া প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের একজন করে অভিজ্ঞ শিক্ষকদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে ‘মেন্টর গ্রুপ’। ওই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মেন্টর অন্যান্য শিক্ষকদের অভিজ্ঞ করে তুলেন। এভাবেই বছরব্যাপী প্রতিটি গ্রুপ নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
আর এসব কিছুর নেপথ্যে যিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, তিনি জনাব সোহেল রানা। উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার। একজন সৎ ও প্রচার বিমুখ মানুষ। পড়াশোনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিষয় ছিল ‘শিক্ষা’। এমএড করেছেন ‘কারিকুলাম’ বিষয়ে। হয়ত এ কারণেই নতুন কারিকুলাম তাঁর খুব প্রিয়।
এমন একজন দক্ষ শিক্ষা বান্ধব অফিসার পাশে থাকলে বাহুবলের শিক্ষকরা নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নে একধাপ এগিয়ে থাকবে; তা নির্দ্বিধায় বলা যায়।
আপনার জন্য অফুরন্ত শুভ কামনা।
কে সিআর/২৪