Skip to content
-
Subscribe to our newsletter & never miss our best posts. Subscribe Now!
  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
দৈনিক কালনেত্র

প্রান্তরের প্রাথমিকতা পেরিয়ে

দৈনিক কালনেত্র

প্রান্তরের প্রাথমিকতা পেরিয়ে

  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • রংপুর
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
    • ফিচার
    • খাদ্য ও পুষ্টি
    • সম্পর্ক
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • রংপুর
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
    • ফিচার
    • খাদ্য ও পুষ্টি
    • সম্পর্ক
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
Subscribe
Close

Search

অপরাধ

মাধবপুরে নারিকেলকাণ্ডে আলোচনায় শিক্ষা কর্মকর্তা, সমালোচনার ঝড়

By কালনেত্র
অক্টোবর ৯, ২০২৫ 1 Min Read
০

 

মাধবপুর প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের মাধবপুরের উপজেলা জামে মসজিদের মালিকানাধীন ৫টি নারিকেল গাছের প্রায় ৫০টি নারিকেল অনুমতি ছাড়া নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মসজিদ কমিটির সদস্য ও মুসুল্লিরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (৫ অক্টোবর) মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম কাউকে কিছু না জানিয়ে তার লোকজন নিয়ে মসজিদের গাছ থেকে নারিকেল কেটে নিয়ে যান। ঘটনাটি অনেকেই প্রত্যক্ষ করেছেন বলে জানা গেছে।

মসজিদ কমিটির সদস্য ও আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের নেতা জসিম উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, “মসজিদের সম্পদ চুরি করা গুরুতর গুনাহের কাজ। ৪০ থেকে ৫০টি নারিকেল তিনি নিয়ে গেছেন। আমরা আশা করি মসজিদের সভাপতি ইউএনও স্যার বিষয়টি দেখবেন।”

মসজিদের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ বিন কাশেম ও সাধারণ সম্পাদক এলজিইডি প্রকৌশলী রেজাউন্নবীর সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, শিক্ষা কর্মকর্তা নারিকেল নেওয়ার বিষয়ে কোনো অনুমতি নেননি। এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ রেজাউন্নবী বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। সবাইকে নিয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”

যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, “আমরা অফিসাররা দিনরাত কাজ করি জনগণের জন্য। কিছু নারিকেল নিয়েছি, অভিযোগ থাকলে মূল্য পরিশোধ করব। আমি জানতাম না এটি মসজিদের জায়গা।”

ইউএনও জাহিদ বিন কাশেম বলেন, “বিষয়টি জানলাম। খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

প্রসঙ্গত, শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম সম্প্রতি সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করায় তার একটি ভিডিও ফেসবুকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইউএনও হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। তবে তিনি নানাভাবে প্রভাব খাটিয়ে সেটি ঠেকানোর চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে।

এসব ঘটনায় পৌরসভার ও উপজেলার মুসল্লিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও দুঃখের সৃষ্টি হয়েছে।

দ.ক.সিআর২৫

Author

কালনেত্র

Follow Me
Other Articles
Previous

চা শ্রমিক নেতা যুবরাজ ঝরা’র মৃত্যু ; বাগান বন্ধ একদিনের শোক পালন

Next

চুনারুঘাটের গাজীপুর ইউনিয়নে ফ্রি ভেটেনারি মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক কালনেত্র