তৃণমূল রাজনীতির পরিক্রমা আর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় জনপ্রতিনিধিত্বের এক চেনা মুখ মোঃ জাকির হোসেন পলাশ। হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার অত্যন্ত গুরুত্ববহ এবং রাজনৈতিকভাবে আলোচিত ২নং আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি সুপরিচিত। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা এবং এলাকার সামগ্রিক অবকাঠামো উন্নয়নে তার ভূমিকা স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন সময়ে নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সূচনা ও রাজনৈতিক উত্থান: জাকির হোসেন পলাশ দীর্ঘদিন ধরেই চুনারুঘাটের রাজনীতি ও সমাজসেবার সাথে জড়িত। তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে এসে তিনি চুনারুঘাট উপজেলার ২নং আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেন এবং চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হন। বিপুল জনসমর্থন নিয়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের প্রশাসনিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
উন্নয়ন ভাবনা ও সামাজিক দায়িত্ব:
দায়িত্ব পালনকালে জাকির হোসেন পলাশ আহম্মদাবাদ ইউনিয়নে সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের প্রকল্প, যেমন— টিসিবির পণ্য বিতরণ, গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ, এবং রাস্তাঘাটের সংস্কারে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। দুর্যোগ কিংবা বিভিন্ন অর্থনৈতিক মন্দার সময়ে সাধারণ মানুষের দোড়গোড়ায় সরকারি ও ব্যক্তিগত ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিতে তাকে মাঠে দেখা গেছে। তার মেয়াদের দিনগুলোতে জনগণের সেবাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে তিনি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমে কোনো অনিয়ম বা স্বেচ্ছাচারিতা করেননি। ইউনিয়নের প্রত্যেক বাসিন্দাই তার কাছে সমান গুরত্বের। তাছাড়া তিনি পারিবারিক ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধগুলো স্থানীয়ভাবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে ও স্বল্প সময়ে মীমাংসা করে আসছেন কোনপ্রকার ভোগান্তি ছাড়াই।
সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট ও নির্বাচনী সমীকরণ: বর্তমান সময়ে চুনারুঘাটের ২নং আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের নির্বাচনী হাওয়া ও প্রশাসনিক পরিস্থিতি বেশ জমজমাট। স্থানীয় পর্যায় থেকে শুরু করে প্রবাসী ভোটারদের মাঝেও জাকির হোসেন পলাশকে নিয়ে চলছে আলোচনা। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটের মাঠে যে কয়েকজন প্রার্থী সবচেয়ে বেশি সরব ও জনপ্রিয়তার জরিপে এগিয়ে রয়েছেন, বর্তমান চেয়ারম্যান জাকির হোসেন পলাশ তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান মুখ। ভোটারদের সাথে গণসংযোগের মাধ্যমে তিনি আবারও নিজের অবস্থান জানান দিচ্ছেন।
জনগণের চোখে পলাশ: স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, জনপ্রতিনিধি হিসেবে জাকির হোসেন পলাশ একজন নির্ভেজাল মানুষ। ইউনিয়ন পরিচালনার ক্ষেত্রে তার কোনো অনিয়ম বা দূর্নীতির বদনাম নাই। তবে রাজনীতির চড়াই-উতরাই ও স্থানীয় কোন্দলের কারণে তাকে বিভিন্ন সময়ে নানামুখী চ্যালেঞ্জেরও মুখোমুখি হতে হয়েছে। তা সত্ত্বেও এলাকার এক বিশাল অংশের জনগণের ভরসার স্থল হিসেবে তিনি নিজের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন।
এই বিষয়ে চেয়ারম্যান জাকির হোসেন পলাশ বলেন, "জনগণ আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়ে এই পবিত্র দায়িত্বে বসিয়েছেন। আমি কোনো ব্যক্তিস্বার্থের জন্য নয়, আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে কাজ করে যাচ্ছি। আমৃত্যু আমি এই অবহেলিত মানুষের সেবা করে যেতে চাই।
একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন এবং সমৃদ্ধ আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন গঠনে চেয়ারম্যান জাকির হোসেন পলাশের এই অগ্রযাত্রা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে—এমনটাই প্রত্যাশা ইউনিয়নবাসীর।
দ.ক/আ-২৬