জসিম উদ্দিন বাহুবল : বাহুবল উপজেলার ৩ তলা বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের ১ম ও ২য় তলা নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। কমপ্লেক্সের ভাড়ার চুক্তি শেষ হওয়ার পরেও খালি না করা এবং অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সহযোগিতার অভিযোগও করেছেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক।
বাহুবল উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ মোহাম্মদ ফিরুজ আলী জানান, ২০২১ সালের ২৩ মার্চ ডক্টরস হসপিটালের সাথে কমপ্লেক্সের ১ম ও ২য় তলার ৫ বছরের চুক্তি হয়। সেই চুক্তির মেয়াদ ২৬/০৩/২০২৬ তারিখে শেষ হয়। কিন্তু সাড়ে ৩ মাস পেরিয়ে গেলেও তারা ভাড়া পরিশোধ বা ভবন ছেড়ে দেয়নি। পাশাপাশি চুক্তির শর্ত ভেঙে ৩য় তলায় ৪টি রুম ও নিচ তলায় ১টি গ্যারেজ রুম নির্মাণ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, “এটি আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের গৌরবের প্রতীক। অবিলম্বে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা চাই।”
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য:
এ বিষয়ে ডক্টরস হসপিটাল কর্তৃপক্ষ জানায়, চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও তারা নতুন করে চুক্তি নবায়নের জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদন প্রক্রিয়াধীন থাকায় তারা এখনো ভবন ব্যবহার করছেন। ভাড়া পরিশোধ না করার অভিযোগ সঠিক নয় বলেও তারা দাবি করেন। অবৈধ নির্মাণের বিষয়ে তারা বলেন, "রোগীদের সেবার স্বার্থে সামান্য সংস্কার করা হয়েছে, যা প্রশাসনকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছিল।"
ইউএনওর বক্তব্য:
বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব উজ্জ্বল রায় বলেন, "বিষয়টি আমি অবগত আছি। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উভয়ের সাথেই কথা বলেছি। দ্রুত উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারো প্রতি পক্ষপাতের সুযোগ নেই।"
উল্লেখ্য, এ বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক।
দ.ক/জে.ইউ