ভাষান্ত: মোস্তফা মোরশেদ
এক) এটি আমার একান্ত নিজস্ব ভাবনা যে মানুষ মারা যাওয়ার সময় কিংবা মারা যাওয়ার কথা মনে হলে তার সন্তানদের কথা ভেবেই সে সবচেয়ে বেশি চিন্তাগ্রস্থ হয়। তার অনুপস্থিতিতে সন্তানরা কী করবে সেটাই বেশি মনে হবে এবং এটি একধরনের মানসিক যন্ত্রণার কারণ হবে।
দুই) দুরুদে ইব্রাহিম (যাকে শ্রেষ্ঠ দুরুদও বলা হয়) এ নবীজির পরিবার/সন্তানদের জন্য রহমতের প্রার্থনা করা হয়। বলা হয়েছে, "হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মদ (সা.) এবং তাঁর বংশধরের ওপর রহমত বর্ষণ করুন, যেমন আপনি ইব্রাহিম (আ.) এবং তাঁর বংশধরের ওপর রহমত বর্ষণ করেছিলেন।
কথা হচ্ছে, ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ (আঃ) এর বংশধর হিসেবে নবীজিকে পাওয়া ব্যতীত ইব্রাহিম (আঃ) এর জন্য অধিক সম্মান ও গুরুত্বপূর্ণ আর কী হতে পারতো? অন্য কোনো কিছুই নয়।
নবীজি (সাঃ) ইব্রাহিম (আঃ) এর বংশধর হিসেবে এসেছেন এবং ঠিক এ কারণেই ইব্রাহিম (আঃ) সবচেয়ে বেশি রহমত লাভ করেছেন। এ দুরুদে মূলত নবীজিকে (সাঃ) আরও অধিক সম্মানিত করা হয়েছে।
তিন) সে জন্যই আমরা দুরুদে ইব্রাহিম পাঠ করি যাতে নবীজিকে আওলাদ হিসেবে পাওয়ার মাধ্যমে ইব্রাহিম (আঃ) যেভাবে সম্মানিত হয়েছেন সেভাবে নবীজির পরিবারের সবাই যেন আল্লাহর কাছ থেকে এরকমই রহমত লাভ করতে পারেন।
নিজেদের সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য দুরুদে ইব্রাহিম অধিক পাঠ করা যেতে পারে।
দ.ক.ধর্ম