আসাদ ঠাকুর, অমনিবাস: নির্বাচন কমিশন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের ঘোষণা না দিলেও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরপরই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে শুরু হয় জোরদার আলোচনা। এরই ধারাবাহিকতায় চুনারঘাট উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়ে গেছে হিসেব নিকেশ।
স্থানীয় ভোটার ও তৃর্ণমূল নেতাকর্মীদের বিবেচনায় এসব প্রার্থীর মধ্যে মূল লড়াইয়ে প্রাধান্য পাবেন তরুণ নেতারাই। সাধারণ মানুষও তরুণ নেতৃত্বকেই দিতে চাচ্ছেন তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের দায়িত্ব।
নির্বাচনী প্রাক-প্রস্তুতির অংশ হিসেব এরই মধ্যে নীরবে প্রচার-প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন। গত ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় সামাজিক মাধ্যমে ইউনিয়নবাসীকে শুভেচ্ছা দিয়ে অনেকে আলোচনায় এসেছেন। কেউ কেউ সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে বা এলাকায় বিলবোর্ড সাঁটিয়েও প্রচারণা শুরু করেছেন। আবার সামাজিক নানা আয়োজনে নিজের প্রার্থিতার কথা জানান দিচ্ছেন অনেকে।
আহম্মদাবাদ ইউনিয়নে গত ঈদুল ফিতর থেকেই ৯ জন প্রার্থীর তৎপরতা চোখে পড়েছে। এরমধ্যে ইমন আহমেদ নির্বাচনে লড়তে পারেন। তাহেরী সমর্থকদের আলোচনায় রয়েছে। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের পক্ষ থেকে নির্বাচন করার কথা তিনিও জানান।
ইমন আহমেদ গোছাপাড়া গ্রামের মোঃ তৈয়ব আলী ও মৃত রাহেনা খাতুনের জেষ্ট পুত্র। ইমন আমুরোড হাইস্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসি, চুনারুঘাট সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি ও ডিগ্রিতে অধ্যায়নরত।
এছাড়াও ইমন তাহেরীয়া সুন্নী সংগঠন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, মানবিক তরুণ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও দাওয়াতে ঈমানী বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য।
ইমন বন্যা কবলিত মানুষকে ত্রাণ সহায়তা, ঈদ সামগ্রী, শীতবস্ত্র ও রমজানে ইফতার সামগ্রী বিতরণসহ করোনাকালীন সময়ে বিভিন্ন সামাজিক কাজে যুক্ত ছিলেন।
তরুণ প্রার্থী ইমন আহমেদ জানান, চা-শ্রমিক থেকে শুরু করে অত্র ইউনিয়নের সকল শ্রেণীপেশার গরিব-অসহায় মানুষের বন্ধু হয়ে কাজ করতে চাই।
দ.ক.সিআর.২৬