আসাদ ঠাকুর, অমনিবাস: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ২নং আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন উচ্চ শিক্ষিত যুবক সমাজসেবক জুয়েল আহমেদ। ইউনিয়নকে অপরাধ ও দারিদ্র্যমুক্ত একটি আধুনিক আদর্শ ইউনিয়ন গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে মাঠে নেমেছেন তিনি।
জুয়েল আহমেদ আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের গেড়ারুক গ্রামের মৃত আব্দুস শহীদ ও মাতা আয়েশা খাতুন দম্পতির পুত্র। শিক্ষাজীবনে তিনি অসাধারণ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। প্রাথমিক শিক্ষা শেষে আমুরোড উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং সিলেট এমসি কলেজ থেকে সমাজ বিজ্ঞানে বিএসএস ও এমএসএস সম্পন্ন করেন।
স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী জুয়েল আহমেদ বর্তমানে নিটল মোটরস লিমিটেড (টাটা কোম্পানি)
সিলেটে কর্মরত রয়েছেন।
শুধু শিক্ষা ও কর্মজীবনেই নয়, সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তিনি এলাকায় বেশ পরিচিত মুখ। ছোটবেলা থেকেই পরোপকারী ও মানবিক মানসিকতার জন্য স্থানীয়দের কাছে প্রশংসিত জুয়েল আহমেদ অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন নীরবে। বিশেষ করে করোনাকালীন সময়ে আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় খাদ্যসামগ্রী বিতরণসহ বিপদগ্রস্ত মানুষের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন তিনি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা যেকোনো সংকটময় পরিস্থিতিতেও সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন সবসময়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, জুয়েল আহমেদ একজন সৎ, ভদ্র ও উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি। তার পরিবারের সদস্যরাও শিক্ষিত ও সামাজিকভাবে সম্মানিত। এলাকার সাধারণ মানুষকে নানাভাবে সহযোগিতা করার কারণে ইতোমধ্যেই ইউনিয়নজুড়ে তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। তারা মনে করেন, শিক্ষিত ও সচেতন নেতৃত্ব সমাজ পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, “জুয়েল আহমেদের মতো একজন উচ্চ শিক্ষিত ও মানবিক মানুষ জনপ্রতিনিধি হলে ইউনিয়নের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে। তিনি সবসময় মানুষের পাশে থাকেন। তাই আমরা তার জন্য দোয়া ও সমর্থন রাখছি।”
এ বিষয়ে জুয়েল আহমেদ বলেন, “আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষের কথা চিন্তা করেই আমি দীর্ঘদিন ধরে সেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও সমর্থন আমাকে অনুপ্রাণিত করছে। আমি চাই মাদক, সন্ত্রাস, সুদ ও দারিদ্র্যমুক্ত একটি আধুনিক আদর্শ ইউনিয়ন গড়ে তুলতে। এজন্য ইউনিয়নবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”
দ.ক.সিআর.২৬