নাহিদ মিয়া, মাধবপুর: হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌরসভার পূর্ব মাধবপুর এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে সামান্তা আক্তার (১৮) নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) সকালে পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের জিতু মিয়ার মালিকানাধীন একটি ভাড়া বাসা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সামান্তা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার দেওড়া গ্রামের শাহ আলমগীরের মেয়ে। তিনি স্থানীয় একটি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সামান্তা মাধবপুরের আদাঐর গ্রামে নানা বাড়িতে বড় হয়েছেন। পরে বিজয়নগর উপজেলার হাজিপুর গ্রামের সবুজ মিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে তাঁদের বিয়ে হয়। সবুজ মিয়া চান্দুর আমতলী এলাকার একটি মেডিকেল সেন্টারের শেয়ারহোল্ডার।
বিয়ের পর সামান্তা জানতে পারেন, সবুজ মিয়ার পূর্বে আরেকটি বিয়ে ছিল এবং সেই সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে। বিষয়টি গোপন রেখে বিয়ে করাকে কেন্দ্র করে দাম্পত্য জীবনে কলহ ও মানসিক অশান্তি তৈরি হয় বলে স্বজনদের দাবি।
নিহতের মা জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মেয়ের সঙ্গে তাঁর শেষ কথা হয়। কিছু সময় পরেই মেয়ের মৃত্যুর খবর পান তিনি। পরে স্বজনরা বাসায় গিয়ে ঘরের ভেতরে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় সামান্তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।
খবর পেয়ে মাধবপুর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।
মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কিছু, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
দ.ক.সিআর.২৬