চুনারুঘাট প্রতিনিধি: দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও আলোচনায় এসেছে মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য সম্প্রসারণ। সরকারের পক্ষ থেকে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর ঘোষণা আসার পর সিলেট বিভাগসহ হবিগঞ্জ জেলার রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শুরু হয়েছে আলোচনা ও প্রত্যাশা। বিশেষ করে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সলকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান বলে জানিয়েছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষ।
স্থানীয়দের মতে, সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সল একজন পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির রাজনীতিবিদ এবং সততার প্রতীক। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট বিভাগের সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের একজন হওয়ায় তাঁর জনপ্রিয়তা আরও সুদৃঢ় হয়েছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
চুনারুঘাট ও মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রত্যাশা, মন্ত্রিসভায় স্থান পেলে সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সল সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করতে সক্ষম হবেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, তিনি শুধু রাজনীতিক নন, একজন সফল শিল্প উদ্যোক্তাও। তাঁর উদ্যোগে এলাকায় বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে এবং হাজারো মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
গণমাধ্যমকর্মী রোকন উদ্দিন লস্কর বলেন, “চুনারুঘাট-মাধবপুরবাসীর প্রাণের দাবি হচ্ছে সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সলকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা। তিনি সততা ও মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে রাজনীতি করেন। শিল্প বিনিয়োগের মাধ্যমে তিনি বহু মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। দলমত নির্বিশেষে তিনি একজন জনবান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিত।”
তিনি আরও বলেন, “এলাকার উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা ও শিল্প খাতে তাঁর অবদান সাধারণ মানুষের কাছে প্রশংসিত। মন্ত্রী হলে তিনি জাতীয় পর্যায়েও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।”
এদিকে শিক্ষাবিদদেরও একই প্রত্যাশা। সৈয়দ সঈদ উদ্দিন ডিগ্রী কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মইন উদ্দিন জানান, “হবিগঞ্জ জেলায় বর্তমানে কোনো মন্ত্রী নেই। অথচ এই জেলা প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ। এখানে রয়েছে গ্যাস, বিদ্যুৎ, চা-বাগান, হাওড় ও শিল্পকারখানা। বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার চারটি আসনেই বিএনপি জয়লাভ করেছে। তাই এ অঞ্চল থেকে একজন যোগ্য ও অভিজ্ঞ নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা সময়ের দাবি।”
তিনি আরও বলেন, “সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সল শিক্ষিত, দক্ষ ও উন্নয়নমুখী নেতৃত্বের অধিকারী। তাঁকে মন্ত্রী করা হলে হবিগঞ্জসহ সিলেট বিভাগের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বেগবান হবে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও মনে করছেন, পরিচ্ছন্ন ও জনসম্পৃক্ত নেতাদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করলে সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে। সেই বিবেচনায় সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সলের নাম আলোচনায় থাকাটা স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন তারা।
স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা, উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সরকার সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সলকে মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করবে।
দ.ক.সিআর.২৬