চুনারুঘাট হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ
চুনারুঘাটের আহম্মদাবাদ ইউনিয়নে পৃথক পৃথক স্থানে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে উদ্বুদ্ধকরণ মূলক মতবিনময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালে ঘনশ্যামপুর রহমানিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জনসচেতনতামূলক সভায় সভাপতিত্ব করেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুরাইয়া আক্তরা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তা সাবরিনা সঈদা, মুখ্য আলোচক ছিলেন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জার মাহমুদ হোসেন।
এছাড়া পৃথক আরেকটি সভা অনুষ্ঠিত হয় আহাম্মদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে। সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক রাজুর পরিচালনায় এতে সভাপতিিত্ব করেন আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন পলাশ, মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক ও বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম, জনসচেতনামূলক সভায় বন কর্মকর্তা সাবরিনা সাইদা বলেন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন ২০১২ সংশোধন করে এটিকে আরও কঠোর আইনে রূপান্তরিত করেছে বর্তমান সরকার, যা বন্যপ্রাণী আইন সংশোধনী ও ২০২৬ হিসেবে গণ্য করা হয়। এই আইনে কোন বন্যপ্রাণীকে হত্যা করলে বা নিজ জিম্মায় রাখলে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের বিধান রয়েছে এবং সর্বনিম্ন ২ লক্ষ টাকা জরিমানা। এই কাজটি যদি পুনরায় একই ব্যক্তি দ্বিতীয় বার করেন তাকে ডাবল শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।এই আইন জামিন অযোগ্য অপরাধ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মুখ্য আলোচক মাহমুদ হোসেন বলেন- গত কয়দিন আগে একটি মেছু বিড়াল এখানে নিহত হয়েছে। অথচ আপনারা জেনে অবাক হবেব যে, একটি মেছু বিড়াল তার জীবদ্দশায় কৃষকের ৫০ লক্ষ টাকার উপকার করে। একটি মেছু বিড়াল প্রতিদিন চার থেকে পাঁচটি ইঁদুর মারে। একটি ইদুর প্রতিদিন ২৫ গ্রাম ধান ভক্ষণ করে। সে হিসাবে মেছু বিড়াল আমাদের অনেক বড় উপকার করে থাকে।
বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, বন্যপ্রাণী আমাদের অনেক উপকারে আসে, বন্যপ্রাণী হত্যা এবং নিধন একটি শাস্তি যোগ্য অপরাধ। সেটা মানুষকে অবগত করতে বেশি বেশি প্রচার প্রচারণার দরকার আছে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সংবাদকর্মী আব্দুল জাহির মিয়া , আম্মদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সঞ্জয় কান্তি দাসসহ বন বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দরাও উপস্থিত ছিলেন।
আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন পলাশ সমাপনী বক্তব্য দিয়ে সভা শেষ করেন।
দ.ক.সিআর.২৬