কালনেত্র প্রতিবেদন: চলতি মৌসুমে হবিগঞ্জের শুধু হাওড় এলাকায় ৪৬ হাজার ৯শ ৫৩ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে বাহুবল উপজেলায় চার হাজার ৪শ ৯৯ হেক্টর, নবীগঞ্জে পাঁচ হাজার ৬শ ৬ হেক্টর, লাখাইয়ে আট হাজার ৩শ ৩২ হেক্টর, বানিয়াচঙ্গে ১৭ হাজার ৯শ ৮৪ হেক্টর ও আজমিরীগঞ্জে আট হাজার ৬শ ৩৩ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, হাওড় এলাকায় ৫৩% ধান এ পর্যন্ত কাটা হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ হিসেব অনুযায়ী জেলার ৯ উপজেলায় মোট এক লাখ ২৩ হাজার ৬শ ৪৪ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। যা লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে ২০৪ হেক্টর কম। এর মধ্যে হাওড় এলাকায় ৪৬ হাজার ৯শ ৫৪ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়।
সরকারী হিসেবে গত কয়েক বছর যাবৎ হাওড়ের ৮০ ভাগ ধান হারভেস্টার দিয়ে কাটা হচ্ছে। চলতি মৌসুমে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, শ্রমিক ও জ্বালানি সংকট প্রভৃতি কারণে বোরো ফসল কাটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
গত কয়েকদিন ধরে তুফান ও অবিরাম বৃষ্টির কারনে জমির পাকা ধান পানিতে ডুবে গেছে। বর্জ্রপাতে জেলার বিভিন্নস্থানে কৃষক মারা যাওয়ার খবর শুনে অনেকে জমিতে যাওয়ার সাহস হারিয়ে ফেলেছেন। এছাড়া রোদের অভাবে কাটা ধান শুকানো যাচ্ছে না। ফলে ধান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, চলতি মৌসুমে অতিবৃষ্টি, শিলা, বাধ ভাংগাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে জেলার ৬ উপজেলার বিস্তৃর্ণ এলাকার বোরো ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। জেলা কৃষি পুনর্বাসন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী বানিয়াচং উপজেলায় ২৪৮ হেক্টর, আজমিরী ১৫৪ হেক্টর, হবিগঞ্জ সদর- ৯০ হেক্টর, লাখাই ২৫ হেক্টর, নবীগঞ্জ-২০ হেক্টর ও চুনারুঘাটে ১৯ হেক্টর জমির বোরো ফসল বিনষ্ট হয়েছে।
দ.ক.সিআর.২৬