কালনেত্র প্রতিবেদন: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার গঙ্গানগর গ্রামের বাসিন্দা এবং আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ৫বারের সফল মেম্বার ছিলেন দুলাল ভূইয়া। বহুল আলোচিত ন্যায় বিচারক মরহুম ছালেক মেম্বারের কনিষ্ট ভাই তিনি।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে গঙ্গানগর গ্রামের একটি শালিশ বৈঠকে হার্টস্ট্রোক করলে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে চুনারুঘাট সদর হাসপাতালে এসে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
(ইন্না লিল্লাহি... রাজিউন)
মৃত্যুকালে তিনি ২পুত্র ও এক কন্যা সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা নাহিদ উদ্দিন তারেকের পিতা ছিলেন।
স্থানীয়দের মতে, দুলাল ভূইয়া ছিলেন সহজ-সরল, মানবিক এবং জনকল্যাণে নিবেদিত একজন মানুষ। টানা পাঁচবারের জনপ্রতিনিধি হওয়ায় ব্যাপক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। তবে সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধান ও সামাজিক ন্যায় বিচারের কারণে তিনি এলাকায় একজন পরিচিত ও জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।
১৬ বছর বয়সে তিনি প্রথম ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার নির্বাচিত হন। সর্বকনিষ্ট এই কমবয়সের মানুষটি পরবর্তি দীর্ঘ ৩০টি বছর সবার সাথে সেই ছোট্ট দুলাল হয়ে এবং তারুণ্যতার হাসি মাখামুখেই আমৃত্যু দিনযাপন করে গেছেন।
তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক মানুষ শোকাহত হয়ে পড়েন। স্বল্প সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তাঁর শোকের বার্তা ছড়িয়ে এক ভিন্ন আবহ তৈরি করে। অনেকেই শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
দুলাল ভুইয়ার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। যা তাঁর দীর্ঘদিনের জনপ্রতিনিধিত্ব ও জনসম্পৃক্ততা এলাকার মানুষের হৃদয়ে তাঁকে স্মরণীয় করে রাখবে।
দ.ক.সিআর.২৬