কালনেত্র প্রতিবেদক: দেশজুড়ে চলমান বিদ্যুৎ সংকট ও ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারণে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে নিয়মিত বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় প্রস্তুতিতে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটছে। কোনো কোনো এলাকায় প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে বলে জানা গেছে।
গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক আকার ধারণ করেছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক শিক্ষার্থী মোমবাতি বা হারিকেনের আলোতে পড়তে বাধ্য হচ্ছে। এতে তাদের চোখের ওপর চাপ পড়ার পাশাপাশি পড়াশোনার মানও ব্যাহত হচ্ছে।
শিক্ষকরা জানান, গ্রামাঞ্চলে ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারণে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা মারাত্মক সমস্যায় পড়েছে। তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এই পাবলিক পরীক্ষার সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অত্যন্ত প্রয়োজন।
অভিভাবকরা বলেন, বিদ্যুতের এই অনিয়মিত পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে শিক্ষার্থীদের ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তিনি দ্রুত এ সমস্যার সমাধানের দাবি জানান।
এসএসসি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই পরীক্ষার মাধ্যমেই তারা প্রথমবারের মতো জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ পায়। ভবিষ্যতে শিক্ষা ও ক্যারিয়ার গঠনের ক্ষেত্রে এসএসসির ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে সচেতন নাগরিকরা মনে করেন। তাদের মতে, পরীক্ষার সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি।
পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সূত্রে জানা যায়, জাতীয় গ্রিডে উৎপাদন ঘাটতি এবং চাহিদা বৃদ্ধির কারণে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। গরমের সময় বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় এ সংকট আরও তীব্র হচ্ছে।
শহর এলাকায় অনেক অভিভাবক পরীক্ষার সময় লোডশেডিং মোকাবিলায় চার্জার লাইট ও আইপিএস ব্যবহার করছেন। তবে নিম্নআয়ের পরিবার ও গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য বিদ্যুৎই একমাত্র ভরসা। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকলে পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে এবং এর প্রভাব পরীক্ষার ফলাফলেও পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
দ.ক.সিআর.২৬