চুনারুঘাট প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ১০ কিঃ মিটার এর মধ্যে সাতছড়ি সিএমসি কমিটির সভাপতি শফিকুল ইসলাম আবুলের একটি অবৈধ স-মিলে দিনে রাতে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও চাবাগানের ছায়াবৃক্ষ কেটে ঐ সমিলে কাঠ ছিড়াই করে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্হানে পাচার করা হচ্ছে।
জানা যায় শফিকুল ইসলাম আবুল সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ৫কিলোমিটার এর মধ্যে মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়ার নোয়াহাটিতে বন আইন লঙ্ঘন করে একটি অবৈধ স-মিল প্রতিষ্ঠা করে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানসহ বিভিন্ন বনাঞ্চল থেকে মূল্যবান সেগুন,ছাপালিশ,আকাশমনিসহ বিভিন্ন প্রজাপতির গাছ সিএমসি কমিটির সভাপতি শফিকুল ইসলাম আবুল ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে গাছ কেটে বন উজার করে তার স-মিলে অবৈধ ভাবে মজুদ করে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্হানে পাচার করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার এসব অপকর্মে সাতছড়ি রেন্জ কর্মকর্তা ও বনবিভাগের অনেক রাঘববোয়াল সহযোগিতা করে বন উজার করছেন।
উল্লেখ্য যে সিএমসি কমিটি বনের উন্নয়ন, গাছপাচার রোধ,বনের উপর মানুষের নির্ভরশীলতা কমানোসহ গাছপাচার থেকে বিরত থাকতে কাজ করার কথা থাকলেও খোদ সিএমসি কমিটির সভাপতি নিজেই সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের গাছ পাচারের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন।এ নিয়ে পরিবেশবাদী সংগঠন ও সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সুটকির নৌকায় বিড়াল পাহাড়াদার।। এছাড়াও সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ও চাঁদাবাজীর অভিযোগ রয়েছে সিএমসি কমিটির সভাপতি শফিকুল ইসলাম আবুলের বিরুদ্ধে। এই নিয়ে হবিগঞ্জ পি,বি,আই তদন্তে নেমেছে।
বিভিন্ন মহল থেকে দাবী উঠেছে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের সিএমসি কমিটির সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে কিভাবে চা বাগান ঘেষা সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পাশে দীর্ঘদিন যাবত অবৈধ আবুল স মিল টি চালু রয়েছে। যা সংরক্ষিত বনাঞ্চলের মূল্যাবান গাছগাছালি কেটে উজাড় করা হচ্ছে। এক দিকে বনাঞ্চল ধ্বংস হচ্ছে এবং পরিবেশে ও বন্যাপ্রাণীর ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তার অবৈধ স মিলটি জব্দ করে দ্রুত সিএমসি কমিটির দায়িত্ব থেকে অপসারণের দাবী উঠছে।
দ.ক.সিআর.২৬