চুনারুঘাট প্রতিনিধি: চুনারুঘাট উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা তার বদলি ঠেকাতে বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন।
জানাযায় সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলা থেকে দুনীতির দায়ে নাজনীন সুলতানাকে স্ট্যান্ড রিলিজ চুনারুঘাট উপজেলায় বদলি করা হয়। কিন্তু তিনি জকিগঞ্জ থেকে চুনারুঘাটে বদলি না হয়ে চিকিৎসার নামে ৫ মাস ওই বদলি আদেশ স্থগিত রাখেন তিনি পরে বিগত ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে চুনারুঘাট উপজেলায় যোগদান করেন। এখানে যোগদানের পর থেকেই তিনি শিক্ষক শিক্ষিকাদের বদলি বাণিজ্য ,ঘুষ, দুনীতি ও শিক্ষকদের সাথে দুব্যবহার করেন। এ বিষয়ে বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় প্রত্রীকার সংবাদ প্রকাশিত হলে শিক্ষা অধিদপ্তর বিভাগীয় পরিচালক এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তিন দপ্তরের তদন্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি প্রমান হলে বিগত ২০২৫ সালে ১১ নভেম্বর তাকে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলায় (স্ট্যান্ড রিলিজ ) বদলি করা হয়। কিন্তু তিনি অবমুক্তির তারিখে কুলাউড়ায় যোগদান না করে ভূয়া মেডিকেল সার্টিফিকেট দিয়ে ঔ আদেশ স্থগিত করান।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারী নিয়মিত অফিস না করায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শাহ আলম স্বাক্ষরিত এক পত্রে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানাকে শোকজ করেন। আবারো তার বিরোদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতি প্রমানীত হওয়ায় গত ১ এপ্রিল শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মুজিবুর আলম স্বাক্ষরিত এক পত্রে তাকে ফের চুনারুঘাট থেকে কুলাউড়ায় বদলির আদেশ এবং ৭ এপ্রিলের মধ্যে কুলাউড়ায় যোগদানের নির্দেশ প্রদান করা হয়। কিন্তু তিনি আবারো চিকিৎসার অজুহাতে বেসরকারি চিকিৎসক দ্বারা (সিল ছাড়া) হবিগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ে জমা দেন। কাগজে পত্রে তিনি ছুটিতে থাকা স্বত্বে ও গত ৩ এপ্রিল চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ১০ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ নিলামের কার্যক্রমে স্ব-শরিরে অংশ গ্রহন করেন এবং ওয়ার্ক অর্ডারে স্বাক্ষর করেন।
এ নিয়ে চুনারুঘাট উপজেলায় কর্মরত শিক্ষকদের মাঝে চরম অসন্তুষ দেখা দিয়েছে।
একদিকে চুনারুঘাটের সকল সৎ ও আদর্শবান প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষক এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানার দালাল হিসেবে পরিচিত শিক্ষকদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে।
দ.ক.সিআর.২৬