কালনেত্র প্রতিবেদন: মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত হবিগঞ্জের ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস আজ। ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল মাধবপুর উপজেলায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী তেলিয়াপাড়া চা বাগান ব্যবস্থাপক বাংলোতে মুক্তিযুদ্ধের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ নিয়ে এক ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ বৈঠকে দেশকে স্বাধীন করার শপথ, যুদ্ধের রণকৌশল, ১১টি সেক্টর বন্টন, অস্ত্রের যোগান, আন্তর্জাতিক সমর্থনসহ গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অনেক উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন, কর্ণেল (অবঃ) আতাউল গনি ওসমানী, লে. কর্ণেল এম.এ রব, লেঃ কর্ণেল সালেহ উদ্দিন মোহাম্মদ রেজা, মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর কে এম শফিউল্লাহ, মেজর খালেদ মোশারফ, মেজর কাজী নুরুজ্জামান, মেজর মঈনুল হোসেন চৌধুরী, মেজর নুরুল ইসলাম, মেজর সাফায়েত জামীল, মেজর সি আর দত্ত প্রমুখ।
প্রতি বছর ৪ এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের উদ্যোগে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এবারও দিবসটি পালন উপলক্ষে আজ সকাল ১০ টায় স্মৃৃতিস্তম্ভে পুস্পস্তক অর্পন শেষে আলোচনা সভা অনুুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপি।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মাননীয় মন্ত্রী জনাব এডভোকেট আজম খান এমপি, প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব জিকে গউছ এমপি, হবিগঞ্জ-০৪ আসনের সংসদ সদস্য এস. এম. ফয়সল, ডাঃ সাকাওয়াত হোসেন জীবন, চীপ প্রসিউকিউটর এডভোকেট আমিনুল ইসলাম সহ প্রমুখ।
হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের আহবায়ক গোলাম মোস্তফা রফিক বলেন, দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়েছে। এ অনুষ্ঠানে আমরা মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের সকল দাবি উপস্থাপন করেছি।
দ.ক.সিআর.২৬