কালনেত্র প্রতিবেদক: ঈদের দিনে চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে দর্শনার্থীর ঢল নেমেছে। আজ শনিবার বেলা ১১টার পর থেকে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নানা বয়সী মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে হাজির হয়েছেন উদ্যান প্রাঙ্গনে। নিজেদের পছন্দমতো স্থানে ঘুরে বেরিয়েছেন ভ্রমন পিপাসুরা। হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মনবাড়িয়া, নরসিংদী ও কিশোরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিনোদন প্রেমীরা আসেন উদ্যানের সৌন্দর্য উপভোগ করতে। ঈদের দিন আবহাওয়া ভালো থাকায় পর্যটকদের আনাগোনা ছিল অনেক বেশি।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঈদের দিন ও পরের দিন বিকেলে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে পর্যটকের ঢল নামে। দল বেঁধে পর্যটকরা বনের ভেতর প্রবেশ করে ঘোরাফেরা করেন। অনেকে আবার চা বাগানের টিলায় দল বেঁধে ছবিও তুলেন। টিকিট কাউন্টারের সামনে ছিল লম্বা লাইন।
এদিকে বন বিভাগ ও সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির পাশাপাশি স্থানীয় চুনারুঘাট পুলিশ সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের নিরাপত্তা জোরদার করেছে।
পর্যটনকন্দ্রেগুলোতে আগত দর্শনার্থীরা জানান, প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণী দেখা যায় সাতছড়িতে। যে কারণে এই স্থানটি তাদের অন্যরকম ভালো লাগার জায়গা। তাছাড়া শহুরে জীবন থেকে প্রাকৃতিক পরিবেশে এসে কিছু সময়ের জন্য হলেও জীবনকে উপভোগ করা যায়।
সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল্লা আল আমিন জানান, ঈদের দিন থেকে এখানে পর্যটকদের উপচেপড়া ভির লক্ষ্য করা গেছে। তিনি আরও জানান, পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা দিতে তারা প্রস্তুত। বনের ভেতরটা তারা সিসি ক্যামেরার আওতায় এনেছেন। বন বিভাগ, সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির পাশাপাশি অতিরিক্ত ১০ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিয়াউর রহমান বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তাসহ সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানকে তারা সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ে রেখেছেন।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে সার্বক্ষণিক পুলিশের টহলের ব্যবস্থা রয়েছে।
সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের পাশাপাশি রেমা কালেঙ্গা, গ্রীনল্যান্ড পার্ক ও উপজেলার চা বাগানগুলোতেও ভীড় ছিল পর্যটকদের।
দ.ক.সিআর.২৬