চুনারুঘাট প্রতিনিধি: সিলেটের বিভাগীয় বনকর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী শানু মিয়া নামে এক ব্যক্তির প্রধান বন সংরক্ষণ বরাবর অভিযোগ দায়ের।
ঘটনার বিবরণীতে জানা যায়,
বিগত ২৪ ফেব্রুয়ারি ডেপুটি রেঞ্জার সৈয়দ আশিক মোল্লার বিরুদ্ধে সিলেট বন বিভাগে একটি অভিযোগ দাখিল করা হয়। যার অনুলিপি মাননীয় সচিব, বন ও জলবায়ু মন্ত্রনালয়, ঢাকায় ডাকযোগে পাঠানো হয়।
এর প্রেক্ষিতে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ে অণিযোগকারী শানু মিয়া হাজির হইলে তিনি গত ১৪ জানুয়ারী চুনারুঘাটের বন সহকারী এটেস্ট প্রতাব বাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিস্তারিত জানতে চান। প্রতি উত্তরে শানু মিয়া জানান, আমি একজন প্রতিবন্ধি মানুষ। সরকারের অনুমোদিত মহলদারের কাছ থেকে আকাশমনি গাছের মালামাল কিনে স্থানীয় পর্যায়ে বিক্রি করি। গত ১২ জানুয়ারী ২০২৬ ইং তারিখে আমার আকাশমনি গাছের গাড়ী হবিগঞ্জ সংলগ্ন ধোলিয়াখাল মেইন রোড থেকে ডেপুটি রেঞ্জার আশিক মোল্লা আটক করে হবিগঞ্জ বন অফিসে নিয়ে যান। পরবর্তীতে গাড়ী চালকের কাছ থেকে ২ হাজার টাকা নিয়ে গাড়ী ও গাছগুলো রেখে চালককে ছেড়ে দেন। ১৩ জানুয়ারী অফিসে গিয়ে গাছের কাগজ দেখাতেই উনি বলেন, এই বিষয়টি বিভাগীয় বন কর্মকর্তা অবগত হয়েছেন। এখন তিনি কোনো মালামাল ছাড়তে পাড়বেন না। আরও বলেন, একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর দেন আমি বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বরাবর আবেদন লিখে দেই, গাড়ী ও গাছ পেয়ে যাবেন।
১৪ জানুয়ারি আশিক মোল্লা আমাকে আবেদন পত্রটি দিয়ে বলেন, প্রতাব বাবুকে ১০০০/- টাকা গাড়ী পাস বাবদ দিয়েছি তাহা ডিএফও স্যারকে আবেদনটি দিতে হবে ও আমি পাশাপাশি মোবাইলের মাধ্যমে স্যারকে বলে দিব এবং গাড়ীসহ মাল পেয়ে যাবেন।
২৪ ফেব্রুয়ারী হাজির হইলে ডিওফ স্যার আমাকে বলেন, প্রতাব বাবুকে বদলী করা হয়েছে। তুমি যে প্রতাব বাবুকে ১০০০/- টাকা দিয়েছ তাহার একটি লিখিত অভিযোগ দাও। আমি বললাম, প্রতাব বাবু আমার কাছ থেকে কোন টাকা নেন নাই। ডেপুটি রেঞ্জার আশিক মোল্লা নিজ হাতে আবেদন লিখে দিয়েছেন ও আমাকে প্রতাব বাবুর বিষয়ে বলতে বলেন। তখন ডিএফও স্যার ক্ষিপ্ত হয়ে বলে, এখনি আমার অফিস থেকে বেড়িয়ে যান এবং আমাকে হুমকি দিয়ে বলেন, আমি তকে দেখে নিব। তখন দুর্নীতিবাজ ও ঘুষখোর ডেপুটি আশিক মোল্লার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তিনি আমাকে ধমক দেন।
আমি একজন প্রতিবন্ধি ব্যক্তি। বর্তমানে আমি নিরাপত্তাহীতায় ভোগতেছি।
দ.ক.সিআর.২৬