আজিজুল হক নাসির, কালনেত্র :: চুনারুঘাট উপজেলার ইকরতলী গ্রামের পন্ডিত মিয়ার বসতগৃহ থেকে ফাহিমা আক্তার (২৫) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাত আটটার দিকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়। এটি হত্যা না আত্মহত্যা এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ফাহিমার বাবা সুন্দরপুর গ্রামের নুরুল হক বলছেন, ফাহিমার স্বামী সুজন ও তার পরিবারের লোকজন তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছে।
ফাহিমার স্বামী সুজনের পরকীয়া ও যৌতুক দাবি নিয়ে বহুবার ফাহিমাকে মারধর ও নানান ভাবে নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। যা এলাকার মুরুব্বিয়ানের জানা। এসব বিষয়ে বেশ কয়েক বার সালিশ বৈঠক হয়েছে।
ফাহিমার শাশুড়ী আংগুরা খাতুন বলছেন, ঘটনার দিন স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কোনো প্রকার ঝগড়াঝাটি হয় নি।
ফাহিমা কি কারণে গলায় ফাঁস লাগিয়ে মারা গেল তা তারা জানেন না। বিকেল বেলা ফাহিমা তার শয়ন কক্ষে ছিল। সন্ধ্যার আগে ফাহিমার ৭ বছরের ছেলে জিহাদ তার মাকে ডাকাডাকি করলে তারা ফাহিমার ঘরে গিয়ে ডাক দেন। সাড়া না পেয়ে একপর্যায়ে দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে দেখেন ফাহিমার লাশ ঝুলে আছে।
তখন তারা চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। চুনারুঘাট থানায় সংবাদ দেন। সংবাদ পেয়ে চুনারুঘাট থানার এসআই আক্তার হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে যান। সুরতহাল শেষে লাশ চুনারুঘাট থানায় নিয়ে আসেন।
সুজনের পরকীয়ার কথা এলাকাবাসীর মুখে পাওয়া গেছে। ঘটনার কিছু পর থেকে ফাহিমার স্বামী সুজন গাঁ ঢাকা দিয়েছেন।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লাশের ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন চুনারুঘাট থানা পুলিশ।
দ.ক.সিআর.২৫